দেশে কোনো দরিদ্র ও বেকার থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দিগন্ত ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের উন্নয়ন তৃণমূলের উন্নয়ন, নৌকায় ভোট দিলে কেউ কোনোদিন অধিকার বঞ্চিত হয় না। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠে জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে কোনো দরিদ্র থাকবে না, বেকার থাকবে না। এ সময় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ চান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল বলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগুন সন্ত্রসীদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করুন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার ছোটবোন শেখ রেহানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ফেরদৌস। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান প্রমুখ।

এ নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এদিন সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। দুপুরে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর সেখান থেকেই তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

পরে পৈতৃক বাড়িতে দুপুরের খাবার শেষে নির্বাচনী সভায় অংশ নিতে কোটালীপাড়ায় যান। বৃহস্পতিবার সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, রাজবাড়ী মোড়, পাটুরিয়া ফেরিঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাই রাবেয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল মাঠে ও সাভার বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে। সংবাদ উৎস:

আরো পড়ুন>> স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারেব, তবে প্রদর্শন করতে পারবে না। আর অন্য যাদের বৈধ অস্ত্র রয়েছে তারা বহন কিংবা প্রদশন কিছুই করেত পারেব না।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন; তাদের মধ্যে যাদের বৈধ লাইসেন্সের অস্ত্র রয়েছে, তারা নিরাপত্তার প্রয়োজনে নিজেদের কাছে অস্ত্র রাখতে পরবেন, কিন্তু প্রদর্শন করতে পারবেন না।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত প্রজ্ঞাপন আগামী দু-এক দিনের মধ্যই জারি করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত। যে কোনও নাশকতা মোকাবেলা এবং তা দমনে যোগ্য। কেউ যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।’

দিগন্ত.নেট/দি/নে

বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবে প্রার্থীরা!

দিগন্ত ডেস্কঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারেব, তবে প্রদর্শন করতে পারবে না। আর অন্য যাদের বৈধ অস্ত্র রয়েছে তারা বহন কিংবা প্রদশন কিছুই করেত পারেব না।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন; তাদের মধ্যে যাদের বৈধ লাইসেন্সের অস্ত্র রয়েছে, তারা নিরাপত্তার প্রয়োজনে নিজেদের কাছে অস্ত্র রাখতে পরবেন, কিন্তু প্রদর্শন করতে পারবেন না।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত প্রজ্ঞাপন আগামী দু-এক দিনের মধ্যই জারি করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত। যে কোনও নাশকতা মোকাবেলা এবং তা দমনে যোগ্য। কেউ যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।’ সংবাদ উৎস: বিডি২৪লাইভ

আরো পড়ুন>> একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালাম নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়ে ফেরার পথে তার সঙ্গে থাকা এক নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির সভাপতি ওসমান গণি শাজাহানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইসি থেকে বেরিয়ে গুলশানে ফেরার পথে আইডিবি ভবনের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

এরপর আবারও ইসি সচিবের কাছে আটকের বিষয়ে অভিযোগ জানান আব্দুস সালাম। ইসি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি মর্মান্তিক ও দুর্ভাগ্যজনক। নিজের কাছেই নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে কীভাবে নির্বাচন হবে? আমরা কোথায় যাব, আমরা কী নির্বাচন করব না?

অভিযোগ জানিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ভবনের কয়েকশ গজের মধ্যে বিএনপি নেতাকে আটকের ঘটনায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, আমি ইসি সচিবকে জানিয়েছি আপনাদের কাছে অভিযোগ দেয়ার কিছুক্ষণ পরই কীভাবে আমার একজন কর্মী আটক হয়? এটা কী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপতৎপরতা আরেকটা জ্বলন্ত প্রমাণ নয়? তার মানে কী, আমরা নির্বাচন কমিশনেও নিরাপদ না?

আব্দুস সালাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি অপারগ হয় তাহলে নির্বাচন না করতে আমাদের বলে দিক, কমিশন কারও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। কমিশন তাহলে আমাদের নেতাকর্মীদের মানা করে দিক।’

এমন অভিযোগের পর ইসি সচিব আব্দুস সালামকে জানিয়েছেন, ‘সিইসির সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দেখব’। ঢাকা-১৩ আসনের এই প্রার্থী জানান, আটক ওসমান গণির বিরুদ্ধে কোনো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নেই। সব মামলায় জামিন থাকা স্বত্তেও এভাবে আটক করে নিয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন করা অসাধ্য। ধরপাকড়ের ভয়ে কর্মীদের নিয়ে ঠিকমত মাঠেই নামতে পারছি না। এসব ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেন বিএনপির এই প্রার্থী।

গ্রেফতারের বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানায়, তারা এমন কোনো ব্যক্তিকে আটক করেননি। নিজ নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরপাকড়, অপতৎপরতাসহ বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে দুপুরে নির্বাচন কমিশনে যান আব্দুস সালাম।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

ইসিতে অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

দিগন্ত ডেস্কঃ নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়ে ফেরার পথে ঢাকা-১৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালামের সাথে থাকা মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির সভাপতি ওসমান গণি শাজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনের সামনের এলাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে তারা এমন কোন ব্যক্তিতে আটক করেননি।

নিজ নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরপাকড়, অপ তৎপরতাসহ বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে দুপুরে নির্বাচন কমিশনে যান আব্দুস সালাম। নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সাথে দেখা করেন তিনি। দুপুর প্রায় দেড়টার দিকে ইসি থেকে বেরিয়ে গুলশান এলাকায় ফেরার পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে আইডিবি ভবনের সামনে থেকে ওসমান গণিকে আটক করা হয়। এমন ঘটনার পর আব্দুস সালাম আবার ইসি সচিবের কাছে আটকের বিষয়ে অভিযোগ জানান।

আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি মর্মান্তিক ও দুর্ভাগ্যজনক। নিজের কাছেই নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে কিভাবে নির্বাচন হবে? অভিযোগ জানিয়ে যাবার কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ভবনের কয়েক’শ গজের মধ্যে বিএনপি নেতাকে আটকের ঘটনায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, আমি ইসি সচিবকে জানিয়েছি আপনাদের কাছে অভিযোগ দেয়ার কিছুক্ষণ পরই কিভাবে আমার একজন কর্মী আটক হয়? এটা কি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপতৎপরতা আরেকটা জ্বলন্ত প্রমাণ নয়? তার মানে কি, আমরা নির্বাচন কমিশনেও নিরাপদ না? আমরা কোথায় যাবো, আমরা কি নির্বাচন করবো না?

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি অপরায়গ হয় তাহলে নির্বাচন না করতে আমাদের বলে দিক, কমিশন কারো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। কমিশন তাহলে আমাদের নেতাকর্মীদের মানা করে দিক।
এমন অভিযোগের বিষয়ে ইসি সচিব আব্দুস সালামকে জানিয়েছেন, সিইসির সাথে আলোচনা করে বিষয়টি দেখব।

আব্দুস সালাম আরো জানান, আটক ওসমান গণির বিরুদ্ধে কোন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নেই। সব মামলায় জামিন থাকা স্বত্তেও এভাবে আটক করে নিয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন করা অসাধ্য বলে জানান আব্দুস সালাম। সংবাদ উৎস: বিডি২৪লাইভ

আরো পড়ুন>> আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। আজ বুধবার বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে জোটের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সিলেটে পা রাখেন।

এরআগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও জেএসডি প্রধান আসম রব দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছে কামালদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বিমানবন্দর থেকে নেতৃবৃন্দ এখন সোজা হযরত শাহজালাল (রহ.)’র মাজারে যাবেন।

এদিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পথসভার মাইক খুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। এছাড়া চেয়ার- টেবিলও জব্দ করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞার নেতৃত্বে মাইক ও চেয়ার- টেবিল নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টকে রেজিস্ট্রারি মাঠে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। দরগায় সভা করার কোন অনুমিত তারা চাননি।

রেজিস্ট্রারি মাঠে সভা না করার কারণ বলতে গিয়ে মহানগর বিএনপি নেতা ও সিটি কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদি যুগান্তরকে বলেন, সময় স্বল্পতা ও একাধিক কর্মসূচি থাকায় রেজিস্ট্রারি মাঠের সভা স্থগিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দরগা মাজার জেয়ারতের পর প্রচার শুরুর প্রাক্কালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন নেতৃবৃন্দ। এজন্য এখানে একটি ছোট মঞ্চ ও মাইক বসানো হয়েছিল। পুলিশ সবকিছু নিয়ে গেছে।

এরআগে গত ২৪ অক্টোবর সিলেটে আসেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। সিলেটের ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে সমাবেশের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সিলেটের কর্মসূচি দফায় দফায় পরিবর্তন হচ্ছে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কর্মসূচি গ্রহণ ও স্থগিত হয়েছে কয়েক দফায়।

কি কারণে এমন হচ্ছে এ ব্যাপারে মুখও খুলছেন না ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতারা।

দুপুরে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন যুগান্তরকে জানান, মাজার জিয়ারতের পর নেতৃবৃন্দ সিলেট নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠ ও দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারে পথসভা করার কথা থাকলেও আকস্মিকভাবে তা স্থগিত করা হয়েছে।

যদিও সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরী বুধবার বেলা ১১টার জরুরী বৈঠক শেষে যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, তার নির্বাচনী এলাকা দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারে পথসভা হবে।

অপরদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ দুপুর সাড়ে ১২টায় যুগান্তরকে জানান, প্রচারণা ও পথসভার সকল প্রস্তুতি রয়েছে। তবে কখন, কোথায় তা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের অনুমতি নিয়েই হবে। তিনি বলেন, কৌশলগত কারণে সার্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত, পরিবর্তন ঘটতেও পারে।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

ক্ষমতায় গেলে প্রথম দিনেই এক লাখ লোক মারবে বিএনপি !

দিগন্ত ডেস্কঃ ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এতো নিষ্ঠুর এই বিএনপি। ওরা যদি আবার ক্ষমতার সাদ পায় এক লাখ লোক প্রথম দিনেই হত্যা করবে।

তবে সেই আশা ভূল। কারণ নির্বাচনের মাঠে গিয়ে দেখেছি, ২০০১ সালে অত্যাচার, নির্যাতন, হত্যা ও নারী ধর্ষনের কথা মানুষ ভুলেনি। ব্যালটের মাধ্যমে আগামী ৩০ ডিসেম্বর তার জবাব দেবে বাংলার মানুষ।

বুধবার গাজীপুর রোডের বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তোফায়েল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে। বাংলাদেশ আজ আন্তর্জাতিক বিশ্বে মর্যাদাশীল দেশ। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। মানুষ অবাক হয় বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সংবাদ উৎস: যুগান্তর

আরো পড়ুন>> বিশিষ্ট ধনকুবের প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের ছেলে ও মুসলিম লীগ মনোনীত ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ তার নির্বাচনী অফিসে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকেরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন। হামলার প্রতিকার চেয়ে তিনি সিইসিকে চিঠি দিয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে ববি হাজ্জাজ নিজে এসে নির্বাচন কমিশনে এই অভিযোগ দেন।

অভিযোগে তিনি বলেন, বর্তমান কমিশনের প্রতি আস্থা রেখেই আমরা ৫৫টি আসনে প্রার্খী দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে গণমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসলেও এ ব্যাপারে আশানুরূপ কোনো প্রতিকার পাইনি।

ইসতে অভিযোগে ববি বলেন, গত মধ্যরাতে আমার নির্বাচনী এলাকার গেন্ডারিয়া থানা সংলগ্ন নির্বাচনী কার্যালয়ে স্থানীয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিশিরের নেতৃত্বে বর্তমান এমপির কর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে। আমার পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলে। কার্যালয়টি দখল করে রেখেছে।

উল্লেখ্য, ববি হাজ্জাজ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতির আইন উপদেষ্টা ছিলেন। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনের সময় তিনি এরশাদের মুখপাত্র হিসেবে গণমাধ্যমে বক্তব্য রাখতেন। পরে তিনি জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

রাস্তার দুইধারে নেতাকর্মীদের ঢল, স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত রাজপথ!

দিগন্ত ডেস্কঃ সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সফর উপলক্সে মাদারীপুরের শিবচরের দীর্ঘ প্রায় ১৫ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে হাজারো নেতাকর্মী-সমর্থকরা করতালি ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে প্রিয় নেত্রীকে স্বাগত জানায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানাও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

বুধবার দুপুর ১২টার দিক প্রধানমন্ত্রী গাড়িবহর নিয়ে ফেরি ক্যামেলিয়া কাঠালবাড়ি ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ঘাটে পৌঁছলে স্থানীয় সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী তাঁকে স্বাগত জানায়। প্রধানমন্ত্রী বহর যখন ঘাট এলাকা অতিক্রম করে হাজারো নেতাকর্মী-সমর্থকরা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে।

ঘাট থেকে শিবচরের দত্তপাড়া পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটারজুড়ে হাজারো নেতাকর্মী তাঁকে করতালি ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানায়। প্রধানমন্ত্রীও নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। সড়কপথে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরুর কথা রয়েছে। সংবাদ উৎস: kalerkantho

আরো পড়ুন>> বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাটোর-২ আসনের প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে আটক করা হয়। শেরেবাংলা নগর থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে ডিবি।

ছাত্রদল নেতা শামছুল আলম রনি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে দুলুকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখার উপকমিশনার মাসুদুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

এছাড়া রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো: মাহবুব আলম। আদালতে একটা মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) করা এক আবেদনের পরিপ্রিক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) এ আদেশ দেন।

ইসির করা আবেদনের ওপর আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (১০ ডিসেম্বর) দুলুর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এদিন বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই করে নাটোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়ন বাতিল করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে তারা প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। কিন্তু আপিলেও ঠেকেনি মনোনয়ন। এর পর প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করেন তারা।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

নৌকার কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা: নিহত ১

দিগন্ত ডেস্কঃ চায়ের দোকানে রাজনৈতিক আলাপকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গি গ্রামে একটি চায়ের দোকানে খুন হন আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ আল মামুন।

জানা গেছে, নিহত মামুন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররাফ হোসেনের কর্মী ছিলেন। মামুন নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছেন আরো একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে বসে রাজনৈতিক আলাপ আলোচনা করছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ আল মামুন। একপর্যায়ে বিএনপির সমর্থকরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলতে থাকেন।

এর প্রতিবাদ করেন মামুন। বাধে তর্ক। একপর্যায়ে মামুনের উপর চড়াও হন বিএনপির সমর্থকরা। ক্রমাগত পেটানো হয় তাকে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লালন ফকিরও।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা বলেছেন, ‘এই হামলার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার চেষ্টা করেছে।

ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছুটে যান হাসপাতালে। সেখানে ইউসুফের মরদেহ এবং আহত লালনকে দেখে তারা মর্মাহত হন। সেই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএনপি সমর্থিত নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশতাকুজ্জামান স্বীকার করেছেন, ঘটনাটি তার দলের সমর্থকরা ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, ইউসুফের সঙ্গে মজিদ নামে একজনর চা খাচ্ছিলেন। তিনি বিএনপির সমর্থক, তবে কোনো পদে নেই। সে একপর্যায়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করে। ইউসুফ ঘটনার প্রতিবাদ করলে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

ফরিদপুর কোতয়ালী থাকার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দেব বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি। এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ এলাকায় ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

এ ঘটনা শোনার পর খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার সমর্থকদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সংবাদ উৎস: breakingnews.com.bd

দিগন্ত.নেট/দি/নে

বিএনপির প্রার্থীসহ গ্রেফতার ২১৭১

দিগন্ত ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিএনপির প্রার্থীসহ ২১৭১ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর প্রতীক বরাদ্ধের পর থেকে ১৮১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১২ ডিসেম্বর) নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দীয় কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে রিজভী সাংবাদিকদের এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে ধানের শীষের প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা, এলাকা ছাড়ার হুমকি, হামলা চালিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে আহত করা ও গ্রেফতারসহ নানামূখি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে।’

ভাটারার ৪০নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কফিল উদ্দিনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, ‘গতরাত ৩টার সময় ডিবি পুলিশ হানা দিলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে কফিল উদ্দিন বাসার ছাদে আত্মগোপন করে, এসময় ডিবি পুলিশ তার ছেলেকে পেয়ে চরম নির্যাতন করে। ডিবি পুলিশ কফিল উদ্দিনকে খুঁজতে থাকলে একপর্যায়ে বাসার ছাদে পেয়ে যায় এবং মারতে মারতে ছাদ থেকে ফেলে দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।’

বিএনপির এ মুখপাত্র বলেন, ‘পুলিশের এই বর্বর আচরণ ও নৃশংসতার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিষ্ঠুরতা বন্য হিংস্রতাকেও হার মানিয়েছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকে জনগণের নিকট তাদের প্রতিটি অপকর্মের জবাব দিতেই হবে।’

এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ নিয়েই বিএনপির নিজস্ব ওয়েবসাইটটি সরকার ব্লক করেছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে সরকার এখন বিরোধী দলের প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকারকেও হরণ করছে।’ সংবাদ উৎস: breakingnews.com.bd

আরো পড়ুন>> চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে মাঠে অবস্থান করে সবকিছু সুন্দরভাবে সাজিয়ে ফেলেছে। আরেক পক্ষ এখনও অগোছালো। সবকিছু সরকারের দখলে।

মঙ্গলবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, মিডিয়ায় সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের প্রচার-প্রচারণা হচ্ছে। বিজ্ঞাপন যাচ্ছে। সবই তো নির্বাচনের ওপর প্রভাব ফেলছে। অথচ বিরোধী পক্ষ প্রতিবাদ ছাড়া আর কিছুই করতে পারছে না। গ্রেফতার বা মামলার প্রতিবাদ করতেই তাদের দিন পার। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছে না।

‘এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী মাঠে কোনোভাবেই সমতা আসতে পারে না। এরপরও বিরোধী পক্ষ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। এটি একটি শুভ লক্ষণ বলে মনে করি।’

তোফায়েল আহমেদ মনে করেন, এসব কিছুর পর অন্তত নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অভিযোগ থেকে রেহাই পাচ্ছে বিরোধীরা। নির্বাচনে অংশ নিয়েও নিজেদের অবস্থান জানাতে পারবে বিরোধী পক্ষ। তবে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে এখনও কিছু বলা যাবে না। কারণ সবকিছুই সরকারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে। নির্বাচন কমিশনের স্বতঃস্ফূর্তভাবে কতগুলো কাজ করার কথা ছিল। সত্যিকার অর্থে নির্বাচন কমিশন কিছুই করছে না।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে সঠিক পদক্ষেপ নিন: সিইসিকে বিএনপি

দিগন্ত ডেস্কঃ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সঠিক পদক্ষেপ নিলে আমরা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে প্রমাণ করতে পারবো।’

বুধবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সঙ্গে সেলিমা রহমানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি ।

সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমরা মনে করি তিনি (সিইসি) অসহায়। তিনি বিব্রত বোধ করছেন, এটা সত্যি। কারণ তিনি কিছু করতে পারছেন না। তবুও আমরা আশা রাখি, সিইসি যেহেতু এবার একটি সুযোগ পেয়েছেন, তিনি যদি সঠিকভাবে পদক্ষেপ নেন। তাহলে কিন্তু আমরা এই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে প্রমাণ করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘১০ তারিখ থেকে প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রচারণার পরপরই আমাদের মহাসচিবের গাড়ি বহরে আক্রমণ করা হয়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের প্রচারণায় বার বার হামলা করা হচ্ছে। মঈন খানের এলাকায় হামলা চালানো হচ্ছে। পুলিশের সহায়তায় আওয়ামী ও যুবলীগ মিলে এই হামলা করছে।’

সেলিমা রহমান বলেন, ‘যারা জামিনে আছেন তাদেরও গ্রেফতার করা হচ্ছে। যারা গ্রেফতার হচ্ছেন তাদের জামিন দেয়া হচ্ছে না। নাটোরে জামিনে থাকা সত্বেও বিএনপি নেতা দুলুকে আটক করা হয়েছে। যাদের নামে মামলা নেই, অজ্ঞাতনামা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে আমাদের এমন নেতা-কর্মীদের।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারা (সরকার দলীয়) চাইছে আমরা যেন নির্বাচনে প্রচারনা চালাতে না পারি, নির্বাচন যেন না করতে পারি। তারা একতরফাভাবে নির্বাচন করতে পারে। সে কারণে এখন ভয়ভীতি, হামলা মামলাসহ বিভিন্নভাবে আমাদের হয়রানি করছে। প্রার্থীদের উপর বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব ঘটনাগুলো জানাতে আজ আমরা এসেছি। কারণ সিইসি বলেছিলেন আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেবো। সবাই সমান সুযোগ পাবে।’

সেলিমা রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীরা এখন পলাতক। আমরা বলতে পারছি না আমরা কোনো কোনো জায়গায় নির্বাচনের জন্য এজেন্ট খুঁজের পাবো কিনা। কারণ পুলিশের ভয়ে অনেকে পলাতক রয়েছেন। এই বিষয়গুলো আমরা কমিশনকে জানালাম। তফসিলের পর গ্রেফতার হবে না বললেও এখন প্রতিনিয়ত গ্রেফতার হচ্ছে। অজ্ঞাতনামা দিয়ে অনেক নেতাকর্মীকে আটক করা হচ্ছে। এই অজ্ঞাতনামা জানতে চাইলে পুলিশ বলছে তাদের নামে আগে থেকে মামলা ছিল।’

সিইসি বিব্রত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সিইসি আমাদের বলেছেন তারা নাকি চেষ্টা করছেন। কিন্তু পুলিশ বলছে আগে থেকে যাদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে, তাদের আমরা ধরছি। পুলিশ বলছে তাদের নামে সুনির্দিষ্ট কেইস আছে। সিইসি বলছেন সেই সুনির্দিষ্ট কেইস কি সেটা আমি কি করে জানব। আমি চেষ্টা করছি, আমি চেষ্টা করব। সংবাদ উৎস: ব্রেকিং নিউজ

দিগন্ত.নেট/দি/নে

বাধা দিলে প্রতিরোধের ক্ষমতা আমি রাখিঃ মির্জা আব্বাস

দিগন্ত ডেস্কঃ নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিপক্ষ বাধা দিতে আসলে তা প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার সময় মতিঝিল জনতা ব্যাংকের সামনে প্রচারণা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা শুনেছি পরিবাগের দিকে শতাধিক আওয়ামী ক্যাডার লাঠি হাতে অপেক্ষা করছে। আমি বিএনপি নেতাদের বলবো, আমি যাওয়ার পর কেউ হামলা করলে আমি তার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখি। তারা দেখি কতো বাধা দিতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আজ সকালে পরপর কয়েকবার আমার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের প্রচারণায় কয়েকবার হামলা হয়েছে। উনি কিন্তু যুদ্ধ করতে যাননি। আমিও যুদ্ধ করতে নামিনি। আমরা ভোটারদের মন জয় করতে নেমেছি। ভোটারদের ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করতে নেমেছি।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে হামলা দেখেছে। পুলিশের সহায়তায় হামলা করছে। লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা এখানে যুদ্ধ করতে আসিনি। এটা কেন? ভোট যুদ্ধ কিন্তু অস্ত্রের যুদ্ধ নয়। ভোট যুদ্ধে আসুন, দেখি কে জিতে। যতোই চেষ্টা করুন, আমরা কোনো পরিস্থিতিতে মাঠ ছাড়বো না।’

ঢাকায় আপনি এবং আপনার সহধর্মিনী ছাড়া আর কাউকে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবাই আছে। অনেকে পুলিশি বাধা আর সরকারি দলের ক্যাডারদের বাধায় বের হতে পারছে না। তবে ঠিক সময়ে তারা বের হবে।’

এদিন বেলা ১১টা থেকে মতিঝিল জনতা ব্যাংকের সামনে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন মির্জা আব্বাস। সংবাদ উৎস: ব্রেকিংনিউজ

আরো পড়ুন>> বিশিষ্ট ধনকুবের প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের ছেলে ও মুসলিম লীগ মনোনীত ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ তার নির্বাচনী অফিসে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকেরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন। হামলার প্রতিকার চেয়ে তিনি সিইসিকে চিঠি দিয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে ববি হাজ্জাজ নিজে এসে নির্বাচন কমিশনে এই অভিযোগ দেন।

অভিযোগে তিনি বলেন, বর্তমান কমিশনের প্রতি আস্থা রেখেই আমরা ৫৫টি আসনে প্রার্খী দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে গণমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসলেও এ ব্যাপারে আশানুরূপ কোনো প্রতিকার পাইনি।

ইসতে অভিযোগে ববি বলেন, গত মধ্যরাতে আমার নির্বাচনী এলাকার গেন্ডারিয়া থানা সংলগ্ন নির্বাচনী কার্যালয়ে স্থানীয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শিশিরের নেতৃত্বে বর্তমান এমপির কর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে। আমার পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলে। কার্যালয়টি দখল করে রেখেছে।

উল্লেখ্য, ববি হাজ্জাজ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতির আইন উপদেষ্টা ছিলেন। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনের সময় তিনি এরশাদের মুখপাত্র হিসেবে গণমাধ্যমে বক্তব্য রাখতেন। পরে তিনি জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় রিয়াজ-ফেরদৌস

দিগন্ত ডেস্কঃ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বুধবার (১২ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ ও ফেরদৌস আহমেদ। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নায়ক ফেরদৌস আহমেদ।

নায়ক ফেরদৌস বলেন, দুদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার নির্বাচনী প্রচারণায় থাকব। তার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মিটিং, পথসভায় অংশগ্রহণ করব। তবে সবার আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করব। তার মাজার জিয়ারতের পরপরই আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করব।

নায়ক রিয়াজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় থাকার জন্য তার সঙ্গে রয়েছি। এটা নিঃসন্দেহে আমার জন্য অনেক ভালো লাগার বিষয়। চলচ্চিত্রের প্রতিনিধি হয়েই আমি এবং ফেরদৌস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় আছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হওয়া আমার জন্য একটা অসাধারণ পাওয়া। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে চলচ্চিত্র বান্ধব একটি সরকারের প্রধান সেটি একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। তিনি শিল্পীদের যে মর্যাদা দেন এটা অভিভূত হওয়ার মতো। এ জন্য চলচ্চিত্র পরিবারের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞ আমরা।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৩ তম অধিবেশনে যোগ দিতে ৬ দিনের সরকারি সফরে নিউ ইয়র্ক গিয়েছিলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও রিয়াজ।

আসন্ন একাদশ জাতী সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া, কোটালিপাড়া) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টুঙ্গিপাড়া সফর শেষে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবস, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং ১৭ ডিসেম্বর আলোচনাসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এরপর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ফের নির্বাচনী সফর শুরু করার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।

২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ২০টি জেলা সফরের পরিকল্পনা আছে। যেসব জেলায় সফর করার কথা রয়েছে, সেগুলো হলো- রংপুর, সিলেট, নড়াইল, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, চট্টগ্রাম, জয়পুরহাট, বগুড়া, যশোর, বাগেরহাট, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর। সংবাদ উৎস:

আরো পড়ুন>> সিইসি অসহায়, কিছু করতে পারছেন না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সঠিক পদক্ষেপ নিলে আমরা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে প্রমাণ করতে পারবো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা রহমান। তিনি বলেন, আমরা মনে করি তিনি (সিইসি) অসহায়। তিনি বিব্রত বোধ করছেন, এটা সত্যি। বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সঙ্গে সেলিমা রহমানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাত করেন।

সাক্ষাত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সেলিমা বলেন, সিইসি কিছু করতে পারছেন না। তবুও আমরা আশা রাখি, সিইসি যেহেতু এবার একটি সুযোগ পেয়েছেন, তিনি যদি সঠিকভাবে পদক্ষেপ নেন। তাহলে কিন্তু আমরা এই নির্বাচনকে গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হিসেবে প্রমাণ করতে পারব। তিনি আরো বলেন, ১০ তারিখ থেকে প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রচারণার পর পরই আমাদের মহাসচিবের গাড়ি বহরে আক্রমনণ করা হয়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের প্রচারণায় বার বার হামলা করা হচ্ছে।

মঈন খানের এলাকায় হামলা চালানো হচ্ছে। পুলিশের সহায়তায় আওয়ামী ও যুবলীগ মিলে এই হামলা করছে। সেলিমা রহমান বলেন, যারা জামিনে আছেন তাদেরও গ্রেফতার করা হচ্ছে। যারা গ্রেফতার হচ্ছেন তাদের জামিন দেয়া হচ্ছে না। নাটোরে জামিনে থাকা সত্বেও বিএনপি নেতা দুলুকে আটক করা হয়েছে। যাদের নামে মামলা নেই অজ্ঞাতনামা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে আমাদের এমন নেতা-কর্মীদের। তিনি আরো বলেন, তারা চাইছে আমরা যেন নির্বাচনে প্রচারনা চালাতে না পারি, নির্বাচন যেন না করতে পারি।

তারা একতরফাভাবে নির্বাচন করতে পারে। সে কারণে এখন ভয়ভীতি, হামলা মামলাসহ বিভিন্নভাবে আমাদের হয়রানি করছে। প্রার্থীদের উপর বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এই ঘটনাগুলো জানাতে আজ আমরা এসেছি। কারণ তিনি বলেছিলেন আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেবো। সবাই সমান সুযোগ পাবে। সেলিমা রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা এখন পলাতক। আমরা বলতে পারছি না আমরা কোন কোন জায়গায় নির্বাচনের জন্য এজেন্ট খুঁজের পাবো কিনা। কারণ পুলিশের ভয়ে অনেকে পলাতক রয়েছেন।

এই বিষয়গুলো আমরা কমিশনকে জানালাম। তফসিলের পর গ্রেফতার হবে না বললেও এখন প্রতিনিয়ত গ্রেফতার হচ্ছে। এবং অজ্ঞাতনামা দিয়ে অনেক নেতাকর্মীকে আটক করা হচ্ছে। এই অজ্ঞাতনা জানতে চাইলে পুলিশ বলছে তাদের নামে আগে থেকে মামলা ছিল।

তারা নিজেরাই এগুলো করছে। সিইসি বিব্রত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিইসি বলেছেন তারা নাকি চেষ্টা করছেন। কিন্তু পুলিশ বলছে আগে থেকে যাদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে, তাদের আমরা ধরছি। পুলিশ বলছে তাদের নামে সুনির্দিষ্ট কেইস আছে। সিইসি বলছেন সেই সুনির্দিষ্ট কেইস কি সেটা আমি কি করে জানব। আমি চেষ্টা করছি, আমি চেষ্টা করব।

দিগন্ত.নেট/দি/নে