হটাৎ আটকে গেল বিএনপি প্রার্থীর ভোট!

দিগন্ত ডেস্কঃ আটকে গেল মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খান রিতার ভোট। রিতার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোনালী ব্যাংকের করা রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ঋণ খেলাপের অভিযোগ এনে রিট করে সোনালী ব্যাংক। আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এম রোকনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

মোতাহার হোসেন সাজু গণমাধ্যমকে বলেন, ঋণখেলাপি বলে ২ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা রিতার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে ইসি ৯ ডিসেম্বর তা মঞ্জুর করে রিতাকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সোনালী ব্যাংক রিট করলে হাইকোর্ট ইসির সিদ্ধান্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন। ফলে রিতা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

আফরোজা খান রিতার বাবা সাবেক মন্ত্রী হারুনুর রশীদ খান মুন্নু মারা যাওয়ায় রিতা এবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবাদ উৎস: বিডি২৪লাইভ

আরো পড়ুন>> আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য বুধবার (১২ ডিসেম্বর) রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন তিনি।

তবে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় এটি গ্রহণের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রতীক বরাদ্দের পর আইন অনুযায়ী প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই বলে জানান রির্টানিং কর্মকর্তা।

ময়মনসিংহ-৪ আসনের পাশাপাশি ময়মনসিংহ-৭ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন রওশন এরশাদ। ময়মনসিংহ-৭ আসনে আওয়ামী লীগ হাফেজ রুহুল আমিন মাদানীকে প্রার্থী করেছে। তবে ময়মনসিংহ-৪ আসনে কোনো প্রার্থী রাখেনি আওয়ামী লীগ।

রওশন চিঠিতে লিখেছেন, ‘বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মাদানীকে সমর্থন দিয়ে আমি সরে দাঁড়ালাম।’ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মহাজোটের শরিক আওয়ামী লীগের প্রার্থী রুহুল আমিন মাদানীকে সমর্থন দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি ময়মনসিংহ-৭ আসন থেকে নির্বাচন করবেন না বলে জানিয়েছেন। বুধবার এ কথা জানিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার সংক্রান্ত একটি চিঠি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি। তবে গত সোমবার প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আর কোনো সুযোগ নেই তার।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এমএ হান্নান এ আসন থেকে নির্বাচিত হন। যুদ্ধাপরাধের মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন কারাগারে রয়েছেন তিনি।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

ফের ক্ষমতায় আসবে আ’লীগ: ইআইইউ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করার কারণে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ আসন পেয়ে আবারও ক্ষমতায় আসবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

বাংলাদেশের ওপর লন্ডন ভিত্তিক প্রকাশক ‘দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের’ (ইআইইউ) কান্ট্রি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর: ইউএনবি

প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ জয়লাভ করলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী থাকবে। বেসরকারি খরচ এবং মোট স্থায়ী বিনিয়োগ (গ্রস ফিক্সড ইনভেস্টমেন্ট) বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০১৮/১৯-২০২২-২৩ সালে প্রতি বছর ৭.৭% গড়ে প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনামের দিকটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যেটি নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অসংখ্য স্থানীয় মতামত অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগ প্রশাসনের অধীনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ চমৎকার রেকর্ড স্থাপন করেছে। বিরোধী দলগুলোর কার্যকর নির্বাচনী প্রচারণার অভাবের ফলে বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ যথেষ্ট সমর্থ হবে।

ইআইইউ প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেকসই বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আওয়ামী লীগের জয় গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত করার জন্য প্রশাসনের উদ্যোগকে সমর্থন করবে আ’লীগ।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভের পর ভারত, চীন ও জাপানের কাছ থেকে সুবিধা আদায় এবং অর্থনৈতিক সহায়তার জন্য বঙ্গোপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানকে কাজে লাগাতে পারবে বলেও আশা করা হয় প্রতিবেদনে।

তবে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের কারণে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক মধ্যম পর্যায়ে টিকে থাকবে।

উল্লেখ্য, দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট একটি বিশেষজ্ঞ প্রকাশক সংস্থা যা ৬০ বছর ধরে এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রবণতা, সরকারি বিধি এবং কর্পোরেট চর্চা সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করে আসছে। ctgtimes.com

বিএনপি নেতাকর্মীর সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ!

দিগন্ত ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জে বিএনপির নির্বাচনী সমাবেশ চলাকালে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় ৩জন বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর কুলিয়ারচর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের চমুরি বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপির প্রার্থী শরীফুল আলম ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহসানসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বিএনপি প্রার্থী শরীফুল আলম বলেন, নির্বাচনী সমাবেশে চলার শেষ পর্যায়ে আমি বক্তৃতা করছিলাম। এসময় পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সমাবেশে হামলা চালায়। এতে আমি পায়ে আঘাত পাই। এছাড়াও ১৫ জনের মতো আহত হয়েছে এবং পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নান্নু মোল্লা বিডি২৪লাইভকে বলেন, নির্বাচনী সমাবেশের কাছ দিয়ে পুলিশের গাড়ি যাওয়ার সময় বিএনপির সমাবেশ থেকে গাড়িতে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এটি প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এতে পুলিশের দুইজন এসআই এবং একজন এএসআই আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩জন বিএনপি কর্মীকে আটক করা হয়েছে। সংবাদ উৎস: বিডি২৪লাইভ

আরো পড়ুন>> একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরর ভোট গ্রহণ হচ্ছে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে সশস্ত্রবাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান) সদস্যদের মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচনের আগে ও পরে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে। এমনকি ভোটের পরেও তারা দুইদিন মাঠে অবস্থান করবেন। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ইসি সূত্র জানায়, আগামী ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনোদিন মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। তবে এর আগে ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরিস্থিতি অবলোকন (রেকি) করবেন তারা। সেনাবাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে।

ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে। এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দেয়া এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে সারাদেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণে পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকার সার্বিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ভোটগ্রহণের দুইদিন পূর্ব থেকে ভোটগ্রহণের দুইদিন পর পর্যন্ত অর্থাৎ ২৮-৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা প্রয়োজন।

সেই সাথে ২৪-২৬ ডিসেম্বর হতে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েনকৃত স্বশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, ব্যাটলিয়ান আনসারের মোবাইল/ স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজন হবে। অন্যবারের মতো এবার সশস্ত্রবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করবে ইসি।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

বিএনপির প্রার্থী আশফাক আটক!

দিগন্ত ডেস্কঃ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা করার সময় ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে তাকে আটক করে দোহার থানা পুলিশ। তবে পুলিশের ভাষ্য, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে প্রার্থীর নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে।’ তবে খন্দকার আবু আশফাককে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি ওসি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার কালাম বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে এবং অন্যায়ভাবে আমাদের নেতাকে তুলে নিয়েছে।’

দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘সরকার দলীয় প্রার্থী দিন–রাত প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের কোন ধরনের বাধা দেওয়া হচ্ছে না। আর আমরা মাঠেই নামতে পারছি না।’ তিনি দাবি করেন, পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে।

জানা যায়, প্রচারণাকে কেন্দ্র করে উপজেলার লটাখোলা করম আলীর মোড়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমবেত হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিকেল ৪টার দিকে বিএনপির প্রার্থী আবু আশফাক প্রচারণায় আসলে নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ স্লোগানে মুখরিত করে তোলে পুরো এলাকা।

পরে করম আলীর মোড় থেকে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে বড় একটি মিছিল বের হয়ে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারসহ প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে করম আলী মোড়ে এলে পুলিশ বিএনপির মিছিলে বাধা দেয়। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন বলে জানা যায়। এরপর বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাকসহ প্রায় ১০ নেতাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

মিছিলে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে দুপুর থেকে লটাখোলা করম আলীর মোড়সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে পুলিশকে সতর্কাবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। সংবাদ উৎস: বিডি২৪লাইভ

আরো পড়ুন>> একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশের সবকটি রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি), সকল ইউনিট প্রধান ও পুলিশ সুপারদের ঢাকায় তলব করা হয়েছে। ওইদিন বিকেলে পুলিশ সদর দফতরে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ওই বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিশেষ নির্দেশনা দেবেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। সূত্র আরো জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকি করতে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সংখ্যা ৫ জন।

ওই কমিটির কাজ তদারকি করবেন আইজিপি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও এডিশনাল আইজিপি (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান। বৃহস্পতিবার নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে নির্বাচন কমিশন, গোয়েন্দা সংস্থা, বিজিবিসহ অন্যান্য সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন বলে পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

দেশের সব ডিআইজি-এসপিকে ঢাকায় তলব

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশের সবকটি রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি), সকল ইউনিট প্রধান ও পুলিশ সুপারদের ঢাকায় তলব করা হয়েছে। ওইদিন বিকেলে পুলিশ সদর দফতরে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ওই বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিশেষ নির্দেশনা দেবেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। সূত্র আরো জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকি করতে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সংখ্যা ৫ জন।

ওই কমিটির কাজ তদারকি করবেন আইজিপি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও এডিশনাল আইজিপি (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান। বৃহস্পতিবার নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে নির্বাচন কমিশন, গোয়েন্দা সংস্থা, বিজিবিসহ অন্যান্য সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন বলে পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়। সূত্র: শীর্ষনিউজ

আরো পড়ুন>> নির্বাচনী গণসংযোগের সময় ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাককে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁকে আটক করে দোহার থানা পুলিশ।

তবে পুলিশের বক্তব্য, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেয়া হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দোহারের বাঁশতলা মোড় থেকে করম আলী মোড় হয়ে জয়পাড়া পর্যন্ত তাদের প্রার্থীর নির্বাচনী গণসংযোগ ছিল।

কিন্তু বিকেল পাঁচটার দিকে এই প্রচারণা থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়। দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে প্রার্থীর নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে থানায় নেয়া হয়েছে।’ তবে খন্দকার আবু আশফাককে ছেড়ে দেওয়া হবে কিনা—এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি ওসি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার কালাম বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে এবং অন্যায়ভাবে আমাদের নেতাকে তুলে নিয়েছে।’ দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘সরকার দলীয় প্রার্থী দিনরাত প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের কোন ধরনের বাধা দেওয়া হচ্ছে না। আর আমরা মাঠেই নামতে পারছি না।’ তিনি দাবি করেন, পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে। সূত্র: শীর্ষনিউজ

বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর আ’লীগে যোগদান

দিগন্ত ডেস্কঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে শ্রমিক দল নেতা নুরুজ্জামান খান ও যুবদল নেতা সরোয়ার আকনের নেতৃত্বে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। বুধবার বিকাল ৪টায় উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের পাগলার মোড় (ইউনিভার্সিটি স্কয়ার) এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পটুয়াখালী-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন তারা।

এদিকে লেবুখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া।

এ সময় অন্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন দুমকি উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান সিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল হক তালুকদার, অ্যাডভোকেট হারুন-অর-রশিদ, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর প্রমুখ। বক্তারা এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে নৌকা মার্কায় ভোট চান। সংবাদ উৎস: যুগান্তর

আরো পড়ুন>> স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারেব, তবে প্রদর্শন করতে পারবে না। আর অন্য যাদের বৈধ অস্ত্র রয়েছে তারা বহন কিংবা প্রদশন কিছুই করেত পারেব না।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন; তাদের মধ্যে যাদের বৈধ লাইসেন্সের অস্ত্র রয়েছে, তারা নিরাপত্তার প্রয়োজনে নিজেদের কাছে অস্ত্র রাখতে পরবেন, কিন্তু প্রদর্শন করতে পারবেন না।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত প্রজ্ঞাপন আগামী দু-এক দিনের মধ্যই জারি করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত। যে কোনও নাশকতা মোকাবেলা এবং তা দমনে যোগ্য। কেউ যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।’

দিগন্ত.নেট/দি/নে

২৪-২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন

সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মাঠপর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা মাঠে অবস্থান করবে। নির্বাহী হাকিম নিয়োগসংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো এই চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালন ও নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ভোট গ্রহণের দুই দিন আগে থেকে ভোট গ্রহণের পরদিন অর্থাৎ ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাহী হাকিম নিয়োগ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সশস্ত্রবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ড স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করবে। তাদের সঙ্গেও দায়িত্ব পালনের জন্য একজন করে নির্বাহী হাকিম নিয়োগের প্রয়োজন হবে।

চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবকে এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, সশস্ত্রবাহিনী কবে থেকে মোতায়েন হবে, বিষয়টি আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা–বিষয়ক বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছিলেন, ১৬ ডিসেম্বর থেকে সেনাবাহিনীর ছোট ছোট কয়েকটি দল জেলা পর্যায়ে যাবে এবং সেখানে তারা কোথায় অবস্থান করবে, তা পর্যবেক্ষণ করবে। বিএনপিসহ অন্য বিরোধী দলগুলো আগে থেকেই নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে আসছে।

আইন সংশোধন করে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও তারা জানিয়ে আসছে। তবে সরকারপক্ষ তাদের সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন চাইলে সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী হাকিম দায়িত্ব পালন করবেন।

ফজরের নামাজ পড়ে সারাদিন ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবেঃ ড. কামাল

দিগন্ত ডেস্কঃ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলো স্বাধীনতার একটা দিক। সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশের স্বাধীনতাই থাকে না। ভোটের দিন কেন্দ্র দখল ঠেকাতে ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্র সারাদিন পাহারা দিতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য টিকবে না।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেটে হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এখনো লেভেল প্লেইন ফিল্ড সৃষ্টি হয়নি। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অতীতে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আমরা বড় বড় বিজয় অর্জন করেছি। ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে এবারও মানুষ সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। মানুষ তার নিজের ভোট পছন্দের প্রার্থীকে দিতে পারলে সারাদেশে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।

তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশের মালিক যে জনগণ সেটা থাকে না। জনগণের মালিকানা না থাকলে স্বাধীনতা থাকে না। স্বাধীনতার লক্ষ্যই সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন।

ড. কামাল বলেন, প্রতিদিন আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আলামত নয়। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে থাকবো। সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে।

জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ৩০ তারিখ সকালে আপনারা ভোট প্রয়োগ করবেন। ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন। দুই নম্বরি করতে দেবেন না। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লড়ে যাবো আমরা।

এ সময় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জেএডডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সিলেটে আসায় দুপুরের আগেই মাজার এলাকায় জড়ো হন বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের শরীক বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা। মাজারের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানুষের ভিড়ের কারণে ড. কামাল হোসেন মাজারে যেতে পারেননি। তিনি মাজারের সামনের মাঠে চেয়ারে বসে হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন এবং মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। সংবাদ উৎস: শীর্ষনিউজ

আরো পড়ুন>> প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের উন্নয়ন তৃণমূলের উন্নয়ন, নৌকায় ভোট দিলে কেউ কোনোদিন অধিকার বঞ্চিত হয় না। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠে জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে কোনো দরিদ্র থাকবে না, বেকার থাকবে না। এ সময় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ চান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল বলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগুন সন্ত্রসীদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করুন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার ছোটবোন শেখ রেহানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ফেরদৌস। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান প্রমুখ।

এ নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এদিন সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। দুপুরে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর সেখান থেকেই তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

পরে পৈতৃক বাড়িতে দুপুরের খাবার শেষে নির্বাচনী সভায় অংশ নিতে কোটালীপাড়ায় যান। বৃহস্পতিবার সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, রাজবাড়ী মোড়, পাটুরিয়া ফেরিঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাই রাবেয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল মাঠে ও সাভার বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে।

দিগন্ত.নেট/দি/নে

দেশে কোনো দরিদ্র ও বেকার থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দিগন্ত ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের উন্নয়ন তৃণমূলের উন্নয়ন, নৌকায় ভোট দিলে কেউ কোনোদিন অধিকার বঞ্চিত হয় না। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠে জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে কোনো দরিদ্র থাকবে না, বেকার থাকবে না। এ সময় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ চান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল বলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগুন সন্ত্রসীদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করুন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার ছোটবোন শেখ রেহানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ফেরদৌস। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান প্রমুখ।

এ নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এদিন সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। দুপুরে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর সেখান থেকেই তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

পরে পৈতৃক বাড়িতে দুপুরের খাবার শেষে নির্বাচনী সভায় অংশ নিতে কোটালীপাড়ায় যান। বৃহস্পতিবার সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, রাজবাড়ী মোড়, পাটুরিয়া ফেরিঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাই রাবেয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল মাঠে ও সাভার বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে। সংবাদ উৎস:

আরো পড়ুন>> স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারেব, তবে প্রদর্শন করতে পারবে না। আর অন্য যাদের বৈধ অস্ত্র রয়েছে তারা বহন কিংবা প্রদশন কিছুই করেত পারেব না।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন; তাদের মধ্যে যাদের বৈধ লাইসেন্সের অস্ত্র রয়েছে, তারা নিরাপত্তার প্রয়োজনে নিজেদের কাছে অস্ত্র রাখতে পরবেন, কিন্তু প্রদর্শন করতে পারবেন না।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত প্রজ্ঞাপন আগামী দু-এক দিনের মধ্যই জারি করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত। যে কোনও নাশকতা মোকাবেলা এবং তা দমনে যোগ্য। কেউ যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।’

দিগন্ত.নেট/দি/নে

বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবে প্রার্থীরা!

দিগন্ত ডেস্কঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা আজ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারেব, তবে প্রদর্শন করতে পারবে না। আর অন্য যাদের বৈধ অস্ত্র রয়েছে তারা বহন কিংবা প্রদশন কিছুই করেত পারেব না।

আজ বুধবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন; তাদের মধ্যে যাদের বৈধ লাইসেন্সের অস্ত্র রয়েছে, তারা নিরাপত্তার প্রয়োজনে নিজেদের কাছে অস্ত্র রাখতে পরবেন, কিন্তু প্রদর্শন করতে পারবেন না।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত প্রজ্ঞাপন আগামী দু-এক দিনের মধ্যই জারি করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত। যে কোনও নাশকতা মোকাবেলা এবং তা দমনে যোগ্য। কেউ যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।’ সংবাদ উৎস: বিডি২৪লাইভ

আরো পড়ুন>> একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালাম নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়ে ফেরার পথে তার সঙ্গে থাকা এক নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির সভাপতি ওসমান গণি শাজাহানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইসি থেকে বেরিয়ে গুলশানে ফেরার পথে আইডিবি ভবনের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

এরপর আবারও ইসি সচিবের কাছে আটকের বিষয়ে অভিযোগ জানান আব্দুস সালাম। ইসি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি মর্মান্তিক ও দুর্ভাগ্যজনক। নিজের কাছেই নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে কীভাবে নির্বাচন হবে? আমরা কোথায় যাব, আমরা কী নির্বাচন করব না?

অভিযোগ জানিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ভবনের কয়েকশ গজের মধ্যে বিএনপি নেতাকে আটকের ঘটনায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, আমি ইসি সচিবকে জানিয়েছি আপনাদের কাছে অভিযোগ দেয়ার কিছুক্ষণ পরই কীভাবে আমার একজন কর্মী আটক হয়? এটা কী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপতৎপরতা আরেকটা জ্বলন্ত প্রমাণ নয়? তার মানে কী, আমরা নির্বাচন কমিশনেও নিরাপদ না?

আব্দুস সালাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি অপারগ হয় তাহলে নির্বাচন না করতে আমাদের বলে দিক, কমিশন কারও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। কমিশন তাহলে আমাদের নেতাকর্মীদের মানা করে দিক।’

এমন অভিযোগের পর ইসি সচিব আব্দুস সালামকে জানিয়েছেন, ‘সিইসির সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দেখব’। ঢাকা-১৩ আসনের এই প্রার্থী জানান, আটক ওসমান গণির বিরুদ্ধে কোনো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নেই। সব মামলায় জামিন থাকা স্বত্তেও এভাবে আটক করে নিয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন করা অসাধ্য। ধরপাকড়ের ভয়ে কর্মীদের নিয়ে ঠিকমত মাঠেই নামতে পারছি না। এসব ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেন বিএনপির এই প্রার্থী।

গ্রেফতারের বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানায়, তারা এমন কোনো ব্যক্তিকে আটক করেননি। নিজ নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরপাকড়, অপতৎপরতাসহ বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে দুপুরে নির্বাচন কমিশনে যান আব্দুস সালাম।

দিগন্ত.নেট/দি/নে