বিএনপি-জামায়াতের ৭ নেতাকর্মী আটক

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:দিনাজপুর : দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বতীপুর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার সকালে ও শনিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরে আলম সিদ্দিকী নয়ন ও পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শাহাদত হোসেন। তারা দুইজন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরে আলম সিদ্দিকী নয়নকে রোববার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

চিরিরবন্দর থানা পুলিশের ওসি মো. হারেসুল ইসলাম বলেন, নুরে আলম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, নাশকতার মামলা রয়েছে। যাদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নাটোরে বিএনপি-জামায়াতের ৬ নেতাকর্মী আটক

নাটোর : নাটোরের বড়াইগ্রামে নাশকতা করতে পারে এমন আশঙ্কায় বিএনপি-জামায়াতের ছয় নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন-বড়াইগ্রাম পৌরসভার চকবড়াইগ্রামের বাসিন্দা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তায়েদুল হক বুলু (২৮), নটাবাড়িয়া গ্রামের বিএনপি কর্মী শাহজাহান কবিরাজ (৫৬), রুহুল আমিন (৫২) ও সমেজ আলী (৪৮), জোনাইল গ্রামের জামায়াত কর্মী মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস (৬০) ও গোপালপুর গ্রামের শিবিরকর্মী জাফর আলী (২২)।

বড়াইগ্রাম থানার ডিউটি অফিসার এএসআই বাবুল জানান, যাচাই-বাছাই শেষে তাদেরকে কোর্টের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হবে।

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

খালেদা জিয়ার মনোনয়ন সরকারের হুকুমেই বাতিল: বিএনপি

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:সরকারের হুকুমেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে অভিযোগ করেছে দলটি।

রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, সরকারের হুকুমেই খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। একজন কমিশনারের সঠিক রায়কে উপেক্ষা করে স্বার্থসন্ধানী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে বাকি কমিশনাররা বিভক্ত ও প্রশ্নবিদ্ধ আদেশ দিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন।

রিজভী বলেন, গতকাল আপিল শুনানিকালে আইনগতভাবে ন্যায়ের পক্ষে রায় না দিয়ে বিনাকারণে সময়ক্ষেপণ করেছে নির্বাচন কমিশন। সংবাদ পেয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলেন, আইনগতভাবে খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন না।

‘এর এক ঘণ্টার মধ্যেই আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে ছুটে যান এবং নির্বাচন কমিশনকে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বিষয়ে সতর্ক করেন।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, প্রতিনিধিদল সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ইসিকে সতর্ক করতেই তারা কমিশনে এসেছেন এবং আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে খালেদা জিয়ার নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই নির্বাচন কমিশন খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল করে।

‘মূলত তারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিলের নির্দেশনা দিতেই আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল সেখানে গিয়েছিলেন,’ যোগ করেন তিনি।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাকে নিয়ে আতঙ্কে ভুগছে। আইনগতভাবে তার নির্বাচন করতে কোনো বাধা না থাকলেও গভীর চক্রান্ত ও মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবেই গতকাল নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছে।

তিনি বলেন, সিইসির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন অনেক দণ্ডপ্রাপ্ত লোকের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। ১৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পংকজ দেবনাথ, হাজী সেলিম, মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং নাজমুল হুদাসহ অনেকেরই মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছে ইসি।

‘তা হলে খালেদা জিয়ারটা নয় কেন? নয় এ জন্য যে, খালেদা জিয়ার মনোনয়ন অবৈধ করতে সিইসির প্রতি শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিল। আইন সম্মতভাবেই দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য।’

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

কণ্ঠশিল্পী মনির খান পদত্যাগ করলেন বিএন‌পি থে‌কে

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মনির খান। রোববার বিকালে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

মনির খান বলেন, এত অনিয়মের মধ্যে থাকা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি দল থেকে পদত্যাগ করব। ঠিক কেমন অনিয়ম জানতে চাইলে মনির খান বলেন, আমরা শিল্পীরা আসলে সম্মান চাই। যেটা দল থেকে পাইনি। তাই এ সিদ্ধান্ত।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর- কোটচাঁদপুর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মনির খান। প্রাথমিকভাবে দলের মনোনয়নের চিঠি পেয়ে জমাও দিয়েছিলেন।

আসনটিতে জামায়াতের ভোট বেশি হওয়ায় জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মতিয়ার রহমান।

ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলকে যে ৫৭ আসন দিল বিএনপি

আজ মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের কয়েক ঘন্টা আগে শনিবার রাতে জাতীয় ঐক্যফন্ট ও ২০ দলের শরিকদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।এর আগে বিএনপির আংশিক প্রার্থী তালিকা করা হয় শুক্রবার রাতে।

এতে দেখা গেছে, ৩০০ আসনের মধ্যে ৫৭ আসনে জোটের শরিকদের ছাড় দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে ২০-দলীয় জোটের শরিকদের ৩৮ আর ঐক্যফ্রন্টের শরিদের জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছে ১৯টি আসন। বাকী ২৪৩ টি আসন নিজেদের হাতে রেখেছে বিএনপি। শনিবার রাতে এ সংক্রান্ত চিঠি শরিক ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের প্রার্থীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচনে লড়বেন। শুধু ২০ দলের শরিক এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ নিজ দলের ‘ছাতা’ প্রতীকে ভোট করবেন। জানা গেছে, বিএনপির দুই জোটে দল রয়েছে ২৭টি। এর মধ্যে ২০ দলীয় জোটে রয়েছে ২৩ দল। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে দল আছে চারটি। শরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসনে জামায়াতকে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। ২০-দলীয় শরিকদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীকে ২২টি আসন দেয়া হয়েছে। যদিও জামায়াতকে আসন বণ্টনের শুরুতে ২৫টি আসনে ছাড় দেয়ার কথা ছিল। এ নিয়ে জামায়াতে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, শেষ মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা বড় হওয়ায় ২০ দলকে কিছু আসন কম দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। স্বভাবতই জামায়াতের আসন বেশি হওয়ায় তাদের থেকে তিনটি আসন ছেঁটে ফেলা হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতারা আগেই বলে রেখেছিলেন-দুই জোটের শরিকদের সর্বোচ্চ ৬০টি আসন দেয়া হবে। এর মধ্যে জামায়াত-ই সর্বাধিক আসন পাবে সেটিও মোটামুটি নিশ্চিত ছিল।

বিএনপি নেতারা শুরুতে চেয়েছিলেন ৪০-৪২ আসন দেয়া হবে ২০ দলকে। আর ১৫-১৮টি আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে দেয়া হবে। ২০ দলের সঙ্গে এটি নিয়ে বিএনপির এক ধরনের সমঝোতাও হয়ে গিয়েছিল।

২০ দলে জামায়াতের পরে সর্বাধিক আসন পেয়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি।

২০ দলীয় জোট

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিকরা যেসব আসন পেয়েছে সেগুলো হল- এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (চট্টগ্রাম-১৪), দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ (কুমিল্লা-৭), সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম (লক্ষ্মীপুর-১), চট্টগ্রাম-৭ নুরুল আলম, ময়মনসিংহ-১০ আসনে সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ (ঢাকা-১৭), কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিমের (চট্টগ্রাম-৫), মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের রিটা রহমান (রংপুর-৩), জমিয়তে ওলামায়ের মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস (যশোর-৫), এনপিপির সভাপতি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (নড়াইল-২)।

জাপা (জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. টিআই ফজলে রাব্বী (গাইবান্ধা-৩), সদস্য আহসান হাবীব লিঙ্কন (কুষ্টিয়া-২)। খেলাফত মজলিশ : হবিগঞ্জ-৪ আসনে আহমেদ আবদুল কাদের ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মুনির হোসেন।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম

সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর শাহিনুর পাশা, হবিগঞ্জ-২ আসনে আবদুল বাসিদ আজাদ, যশোর-৫ আসনে মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস।

জামায়াত

নিবন্ধন হারানো এ দলটিকে ২৫টি আসন ছেড়েছিল বিএনপি। কিন্তু শনিবার রাতে ২২ আসনে প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেয়। এতে ক্ষুব্ধ জামায়াত নেতারা হুমকি দেন, প্রতিশ্রুত আসন না দিলে তারা ‘ভিন্ন চিন্তা’ করতে বাধ্য হবেন। চিঠি পেয়েছেন দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ, দিনাজপুর-৬ মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, গাইবান্ধা-১ মাজেদুর রহমান সরকার, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, পাবনা-৫ মাওলানা ইকবাল হুসাইন, ঝিনাইদহ-৩ অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, যশোর-২ আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ অধ্যাপক আবদুল আলীম, খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী, ঢাকা-১৫ ডা. শফিকুর রহমান, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ ডা. আবদুল্লাহ মো. তাহের, চট্টগ্রাম ১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম ও কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আযাদ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ১৯ আসন

গণফোরাম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের ১৯ আসনে ছাড় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গণফোরামকে ৬টি আসন দেয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ঢাকা-৭ আসনে মোস্তফা মহসিন মন্টু, ময়মনসিংহ-৮ আসনে এএইচএম খালিকুজ্জামান, হবিগঞ্জ-২ আসনে রেজা কিবরিয়া, পাবনা-১ আসনে অধ্যাপক আবু সাইদ, কুড়িগ্রাম-৫ আসনে আমছা আমিন, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।

জেএসডি

দলটির সভাপতি আ স ম আবদুর রব (লক্ষ্মীপুর-৪), শরিফউদ্দিন মাহমুদ স্বপন (ঢাকা-১৮), আবদুল মালেক রতন (কুমিল্লা-৪)। সাইফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-৩), নুরুল ইসলাম মাল (শরীয়তপুর-১)।

নাগরিক ঐক্য

৪টি আসন দেয়া হয়েছে, এগুলো হলো মাহমুদুর রহমান মান্না (বগুড়া-২), এসএম আকরাম (নারায়ণগঞ্জ-৫), মোফাখরুল ইসলাম (রংপুর-৫), শাহ রহমতউল্লাহ (রংপুর-১), নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর (বরিশাল-৪)।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৮), টাঙ্গাইল-৪ আসনে রফিকুল ইসলাম ও গাজীপুর-৩ আসনে ইকবাল সিদ্দিকী।

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

কোন দল কয়টি আসন পেল বিএনপির দুই জোটের শরিকরা

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল ও ২০ দলের শরিক দলগুলোর নেতারা কে কোন আসনে জোটের হয়ে ভোট করবেন তার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি।

আজ মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের কয়েক ঘন্টা আগে শনিবার রাতে জাতীয় ঐক্যফন্ট ও ২০ দলের শরিকদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিএনপির আংশিক প্রার্থী তালিকা করা হয় শুক্রবার রাতে।

এতে দেখা গেছে, ৩০০ আসনের মধ্যে ৫৭ আসনে জোটের শরিকদের ছাড় দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে ২০-দলীয় জোটের শরিকদের ৩৮ আর ঐক্যফ্রন্টের শরিদের জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছে ১৯টি আসন। শনিবার রাতে এ সংক্রান্ত চিঠি শরিক ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের প্রার্থীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচনে লড়বেন। শুধু ২০ দলের শরিক এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ নিজ দলের ‘ছাতা’ প্রতীকে ভোট করবেন।

জানা গেছে, বিএনপির দুই জোটে দল রয়েছে ২৭টি। এর মধ্যে ২০ দলীয় জোটে রয়েছে ২৩ দল। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে দল আছে চারটি।

শরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসনে জামায়াতকে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। ২০-দলীয় শরিকদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীকে ২২টি আসন দেয়া হয়েছে। যদিও জামায়াতকে আসন বণ্টনের শুরুতে ২৫টি আসনে ছাড় দেয়ার কথা ছিল। এ নিয়ে জামায়াতে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, শেষ মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা বড় হওয়ায় ২০ দলকে কিছু আসন কম দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। স্বভাবতই জামায়াতের আসন বেশি হওয়ায় তাদের থেকে তিনটি আসন ছেঁটে ফেলা হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতারা আগেই বলে রেখেছিলেন-দুই জোটের শরিকদের সর্বোচ্চ ৬০টি আসন দেয়া হবে। এর মধ্যে জামায়াত-ই সর্বাধিক আসন পাবে সেটিও মোটামুটি নিশ্চিত ছিল।

বিএনপি নেতারা শুরুতে চেয়েছিলেন ৪০-৪২ আসন দেয়া হবে ২০ দলকে। আর ১৫-১৮টি আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে দেয়া হবে। ২০ দলের সঙ্গে এটি নিয়ে বিএনপির এক ধরনের সমঝোতাও হয়ে গিয়েছিল।

সবশেষ সেই হিসাবে গোল বাধে যখন ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলো বিএনপির সঙ্গে দরকষাকষি শুরু করে। তাদের প্রার্থী তালিকা ছিল অনেক বড়। তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও আসন বণ্টন নিয়ে সমঝোতা হচ্ছিল না।

এ কারণে প্রার্থী তালিকা প্রকাশও দেরি হয় জোটের। কয়েক দফা সময় দিয়েও কথা রাখতে পারেননি জোট নেতারা।

অবশেষে ঐক্যফ্রন্টকে ১৯ আসন দিয়ে সন্তুষ্ট করেছে বিএনপি। ঐক্যফ্রন্টকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে ২০ দলের প্রার্থী তালিকা ছেঁটে ফেলতে হয়। ২০ দলের বরাদ্দ থেকে ৩-৪টি আসন দেয়া হয় ঐক্যফ্রন্টকে।

২০ দলের শরিকদের আসন

জামায়াতে ইসলামী ২২টি;

এলডিপি ৫টি;

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ৩;

জাতীয় পার্টি (জাফর) ২;

বিজেপি ১;

এনপিপি ১;

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ১;

খেলাফত মজলিস ২;

পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশকে ১টি আসন দিয়েছে বিএনপি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১৯ আসন

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ১৯ আসন ছাড় দেয়া হয়। এর মধ্যে-

গণফোরাম ৬;

জেএসডি ৫;

নাগরিক ঐক্য ৫;

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে ৩টি আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

তবে গণফোরামকে আরও এক দুটি আসনে আজ ছাড় দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে,

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

বিএনপি কার্যালয়ে ব্যপক ভাংচুর-আগুন

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:গাইবান্ধা জেলা বিএনপির কার্যালয়ের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাংচুরের পর তাতে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই সময় কার্যালয়ে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী ছিলেন না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত লাঠিসোটাসহ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। তারা আসবাবপত্র ভাংচুরের পর তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

আগুনে প্লাস্টিকের বেশ কয়েকটি চেয়ার পুড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নেভায়।

জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন জেলা বিএনপির অফিসে ঢুকে ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি ইনচার্জ মো. আব্দুল বাতেন জানান, বিএনপি অফিসে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

হেমন্তে থেমে যাচ্ছে বসন্তদিনের গান!

বিষাদের বিউগল বাজছে অলক্ষ্যে। কিন্তু আয়োজনের আড়ম্বর নেই। চাপা গোঙানি আছে আবহে। কিন্তু আর্তনাদের চিৎকার নেই। কান্নার কাঁপন রয়েছে হৃদয়ের গহিনে। কিন্তু অশ্রুর আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ নেই। অথচ এই হেমন্তদিনেই হয়তো দেশের মাটিতে থেমে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক বসন্তদিনের গান। মাশরাফি বিন মর্তুজা যাঁর নাম।নিশ্চিত করেননি তিনি।

দিন কয়েক আগে তাঁর রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলনে ফাঁক রাখেন ‘বিশ্বকাপের পর পর্যালোচনা করার সুযোগ থাকলে তা করব’ বলে। কাল সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে প্রথম প্রশ্ন, ঘরের মাঠে এটি শেষ সিরিজ কি না। উত্তরে আগের অবস্থানে অবিচল মাশরাফি, ‘বলা কঠিন, আসলে ভবিষ্যতের কথা তো বলা যায় না।’ তা-ই যদি হয়, তাহলে কী মানসিকতা নিয়ে খেলবেন ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে—এমন সম্পূরক প্রশ্নেও চিত্রাপারের সন্তানের হৃদয়ের ঢেউ ঠাহর করা যায় না, ‘আমার কোনো দিন মাইন্ডসেট থাকে না। আগে থেকে ঠিক করে কিছু করি না। দেখা যাক, সামনে কী হয়!’

সেই সামনে বলতে আপাতত বাতিঘর ২০১৯ বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ডের সেই আসরের আগে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ। মাঝের সময়টায় ঘরের মাঠে আর কোনো সিরিজের সূচি তো নেই লাল-সবুজের। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সিরিজটাই তাই দেশের মাটিতে নড়াইল এক্সপ্রেসের শেষ স্টেশন হয়ে যেতে পারে। ফর্ম এখনো আড়ি নেয়নি সত্যি। কিন্তু পঁয়ত্রিশ পেরোনা মাশরাফি, রাজনৈতিক অঙ্গনে নাম লেখানো মাশরাফি বিশ্বকাপের পরও জাতীয় দলে খেলা চালিয়ে যাবেন—আজকের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে তা কল্পনা করা কঠিন।

সে কারণেই তো নিজে নিশ্চিত না করলেও প্রকৃতির ওই আয়োজন। ১৭ বছর আগে ১৮ বছরের এক তরুণের পথচলার শুরুতে তাঁকে স্বাগত জানায় হেমন্তদিনের শিশিরমালা। আর কী আশ্চর্য, দেড় যুগ পরের বিদায়ের প্রস্তুতিও ওই রূপসী ঋতুর রুপালি কুয়াশার অলংকারে।

এক দিক দিয়ে অবশ্য বড্ড দুর্ভাগা মাশরাফি। বাংলাদেশ লাল-সবুজ জার্সির জন্য দেড় যুগে শ্রম-ঘাম সব নিংড়ে দিয়েছেন; কিন্তু বিদায়টা দেশের মাটিতে হলো না। আর তা তো শুধু ওয়ানডে নয়, সব ফরম্যাটেই। ৩৬ টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বশেষটি খেলেন ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে। আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি কখনো, তবে ৯ বছর আগের সেই ‘সর্বশেষ’ যে ‘শেষ’ টেস্ট হয়ে গেছে, এ নিয়ে সংশয় সামান্য।

টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়ান অবশ্য ঘোষণা দিয়েই। গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের সময়কার সে সিদ্ধান্ত কতটা স্বেচ্ছায়, কতটা কর্তাদের ইচ্ছায়—এ নিয়ে প্রশ্নের মীমাংসা হয়নি আজও। এরপর থাকে বাকি শুধু ওয়ানডে। কিন্তু ২০১৯ বিশ্বকাপকে লক্ষ্য ধরে এগোনোয় এই ফরম্যাটের শেষটাও এখন পর্যন্ত বিদেশের মাটিতেই দেখা যাচ্ছে।

ঘরের মাঠে নিজের সম্ভাব্য শেষটা রাঙিয়ে দেওয়ার জন্য এ সিরিজে কি তাই সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করবেন না মাশরাফি?

এমনিতে অনেক সময়ই তাঁর অধিনায়ক সত্তার আড়ালে পড়ে যায় বোলার সত্তা। অথচ ২০১৪ সালে এ দফায় অধিনায়ক হওয়ার পর ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি মাশরাফি। ৬০ ম্যাচে তাঁর ৭৮ উইকেট। ৫৬ ম্যাচে ৭৩ শিকারে দ্বিতীয়তে সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজটি অবশ্য ভালো কাটেনি মোটেই। তিন ম্যাচে ২৮ ওভার বোলিং করে ১৬০ রান দিয়ে নেন মোটে এক উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে এশিয়া কাপ থেকে বয়ে আনা ইনজুরির দায় অনেকখানি।

তা ঝেড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শতভাগ ফিটনেস এবং শতভাগ ফর্মে ফেরার প্রত্যয় কাল জানিয়ে যান মাশরাফি, ‘এশিয়া কাপের ইনজুরি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে ভোগাচ্ছিল। এখন চেষ্টা করছি ১০০% ফিট হওয়ার। অনুশীলন করছি পুরোদমে। আশা করছি, সব ঠিক থাকবে।’

এশিয়া কাপের সেই ইনজুরি কোন ছার! এর চেয়ে কত ভয়ংকর সব গ্রহণকাল এসেছে তাঁর ক্যারিয়ারে। দুই হাঁটুতে অস্ত্রোপচারই তো সাতবার। কিন্তু ক্রিকেট মাঠে মৃত্যুঞ্জয়ীর প্রতীক হয়ে বারবার প্রত্যাবর্তন মাশরাফির। এই করতে করতেই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে আড়াই শ উইকেট নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির মুকুট হয়ে যায়। আজ দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে দুই শ ওয়ানডে খেলার রেকর্ডের দুয়ারে যান দাঁড়িয়ে। এর মধ্যে অবশ্য দুটি ম্যাচে এশিয়া একাদশের হয়ে আফ্রিকা একাদশের বিপক্ষে। রেকর্ডটির কথা মনে করিয়ে দিতেই কাল একটু যেন উচ্ছ্বাস খেলে যায় মাশরাফির কণ্ঠে,

‘ধন্যবাদ মনে করার জন্য। আমার আসলে এটি খেয়াল ছিল না।’ পরক্ষণেই সামলে নিয়ে গুরুত্বের আসন ছেড়ে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটিতেই, ‘আগেও বলেছি, এসব রেকর্ড আমাকে তেমন স্পর্শ করে না। এদিক থেকে ভালো লাগছে যে, বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে ২০০ ম্যাচ হচ্ছে। পরবর্তীতে একটা সময় মানুষ যখন তা বলবে, তখন অবশ্যই ভালো লাগবে। কারণ এটি এক অর্জন। কিন্তু এখন কালকের (আজকের) ম্যাচের ওপরে আর কিছুর গুরুত্ব নেই। আমার নিজের রেকর্ডের কথা চিন্তা করে খেলার সুযোগ নেই। বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি জেতার দিকেই সব মনোযোগ।’

এটাই মাশরাফি। যাঁর কাছে সবার আগে দেশ। সব কিছুর আগে দল। এমন একজনের দেশের মাটিতে সম্ভাব্য শেষে কোনো বাহ্যিক আয়োজন থাকবে না সত্যি। কিন্তু প্রকৃতি ঠিকই বাজাবে তার বিদায়ের অর্কেস্ট্রা। হেমন্তের শিশিরে। কুয়াশার আদরে। সে শিশিরের টুপটাপ শব্দে মিলিয়ে যাবে হয়তো মাশরাফির কান্না। কুয়াশায় আড়াল হয়ে রইবে মাশরাফির ভেজাচোখ।

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

মনোনয়ন বৈধ মির্জা আব্বাসের

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:মনোনয়ন ফিরে পেলেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। শনিবার (৮ ডিসেম্বর) ইসির শুনানির পর তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করে বৈধতা পেয়েছিলেন।

কিন্তু সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে ইসিতে আপিল করেন। আর এ আবেদনের শুনানিতে অংশ নিতে আব্বাসও ইসিতে আসেন।

সবশেষ ৪২টি মামলা নিয়েও ঢাকা- ৮ আসনে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলো।

শনিবার (৮ ডিসেম্বর) ইসির অস্থায়ী আদালতে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা রাশেদ খান মেননের করা আপিল নং- ৪৪৪ শুনানি শেষে মনোনয়নপত্র বহালের আদেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।

উল্লেখ, ঢাকা- ৮ আসন থেকে মির্জা আব্বাসের প্রার্থীতা ২ ডিসেম্বরের প্রার্থীতা বাছাইয়েও বহাল ছিল; কিন্তু পরে ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মির্জা আব্বাসের প্রার্থীতা বহালের বিরুদ্ধে।

মুন্সীগঞ্জে শাহ মোয়াজ্জেমের গাড়িবহরে হামলা, গুলি

মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির ভাইস-চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কুচিয়ামোড়া এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালায়।

শাহ মোয়াজ্জেমের ভাই ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, ‘হামলাকারীরা সাত রাউন্ড গুলি ছুড়েছে ও পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তবে কেউ গুলিবিদ্ধ হননি, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনও অক্ষত আছেন।’

এদিকে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম কানন অভিযোগ করেন, ‘সিরাজদিখান থেকে পাথরঘাটায় কর্মীসভায় যাওয়ার পথে কুচিয়ামোড়া এলাকায় আসলে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মাহী বি চৌধুরীর লোকজন অতর্কিত এ হামলা চালায়।’

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে হামলাকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে আমরা হামলার বিষয়ে বিস্তারিত খতিয়ে দেখছি।’

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বঞ্চিতরা ভাঙচুর করেছে এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেছে। শনিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ।

গুলশান কার্যালয় থেকে বার বার মাইকে মিছিল স্লোগান না করার ঘোষণা দিলেও তা ভ্রুক্ষেপ করছে না মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীদের সমর্থকরা।

ঢাকা-১২ আসনের মনোনয়ন বাতিল এবং সেখানে আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ারকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে সমর্থকরা মিছিল করছেন। পাশাপাশি নলিতাবাড়ীর একটা আসনের মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর পক্ষে তার সমর্থকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন।

এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুপুরে মনোনয়ন না পাওয়ার কারণে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের পক্ষে স্লোগান এবং বিক্ষোভ করেন। পরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ফলাফল কলাপসিবল গেট গেইটে তালা দিয়ে বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর গেট খুলে দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এসে তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ সম্মেলন ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে তার সমর্থকরা গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দিকে রওনা হয়।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২০৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়ন প্রাপ্তদের চূড়ান্ত নাম ঘোষণার পরপরই কার্যালয়টি নেতাকর্মীদের আনন্দ উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে। এসব নেতার কেউ সাবেক এমপি আবার কেউবা নতুন মুখ। একে অন্যের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। আবার কেউ দীর্ঘদিন পর ঘনিষ্ঠ কাউকে পেয়ে বুকে জড়িয়ে ধরছেন। সবমিলে গুলশানের বিএনপি অফিস এখন সরগরম।

এদিকে ভেতরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করলেও বাইরে উভয় চিত্রই চোখে পড়ছে। যেসব প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছেন তাদের সমর্থকরা যেমন বিজয় মিছিল করছে অন্যদিকে বাদ পড়াদের সমর্থকরার বিক্ষোভ মিছিল করছে বাইরের সড়কে। দফায় দফায় মিছিল স্লোগানে পুরো এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে।

এক নজরে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা:

ঢাকা বিভাগ: বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন- ঢাকা-২ আসনে ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ আসনে সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ আসনে আবদুল মান্নান, নারায়ণগঞ্জ- ২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ আসনে ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৪ আসনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এমএ জিন্নাহ, মানিকগঞ্জ-২ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মইনুল ইসলাম খান শান্ত, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে আবদুল হাই, গাজীপুর-১ আসনে চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ আসনে সালাহউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-৫ আসনে ফজলুল হক মিলন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-৬ মো. শরীফুল আলম, টাঙ্গাইল-১ আসনে সরকার শহীদ, টাঙ্গাইল-২ আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৫ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, টাঙ্গাইল-৬ আসনে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, ফরিদপুর-১ আসনে শাহ মো. আবু জাফর, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনে ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ আসনে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এসএম আফজাল হোসেন, মাদারিপুর-২ আসনে মিল্টন বৈদ্য, মাদারিপুর-৩ আসনে আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার, শরিয়তপুর-২ আসনে শফিকুর রহমান কিরন, শরিয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন অপু।

সিলেট বিভাগ: সিলেট-৩ শফি আহমদ চৌধুরী, সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ-১ আসনে নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গৌছ।

চট্টগ্রাম বিভাগ: চট্টগ্রাম-১ আসনে নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনে ইসহাক কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ আসনে জসিমউদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম-৭ আসনে কুতুবউদ্দিন বাহার, চট্টগ্রাম-৯ আসনে ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১২ আসনে এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সারওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ আসনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী মুজিবুল হক, কুমিল্লা-৮ আসনে জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আসনে কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল, চাঁদপুর-১ আসনে মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে ড. জালালউদ্দিন, চাঁদপুর-৫ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, ফেনী-২ আসনে ভিপি জয়নাল আবেদীন, ফেনী-৩ আসনে আকবর হোসেন, নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ আসনে জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ আসনে বরকতউল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনে মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও নোয়াখালী-৬ আসনে ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে আবুল খায়ের ভূঁঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কক্সবাজার-১ আসনে হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-৩ আসনে লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ আসনে শাহজাহান চৌধুরী, পার্বত্য রাঙ্গামাটি মনিস্বপন দেওয়ান এবং পার্বত্য বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি।

ময়মনসিংহ বিভাগ: ময়মনসিংহ-২ আসনে শাহ শহীদ সারওয়ার, ময়মনসিংহ-৩ আসনে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন, ময়মনসিংহ-৫ আসনে মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ আসনে ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমদ, ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৯ আসনে খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১১ আসনে ফখরুদ্দিন বাচ্চু, শেরপুর-১ আসনে ডা. শানসিলা, শেরপুর-২ আসনে একেএম মোখলেসুর রহমান রিপন, শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদ রুবেল, জামালপুর-২ আসনে সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার, জামালপুর-৫ আসনে অ্যাডভোকেট শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, নেত্রকোনা-১ আসনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ আসনে আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ আসনে রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান শ্রাবনী।

খুলনা বিভাগ: খুলনা-১ আসনে আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ আসনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে আজিজুল বারী হেলাল, সাতক্ষীরা-১ আসনে হাবিবুল ইসলাম হাবিব, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মাহমুদ হাসান খান, কুষ্টিয়া-৪ আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, ঝিনাইদহ-৪ আসনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যশোর-১ আসনে মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, যশোর-৬ আসনে আবুল হোসেন আজাদ, বাগেরহাট-১ আসনে মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ আসনে এমএ সালাম।

রাজশাহী বিভাগ: জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান, জয়পুরহাট-২ আসনে আবু ইউসুফ খলিলুর রহমান, বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে শাহজাহান মিয়া, চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আমিনুল ইসলাম, চাপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে হারুনুর রশীদ, নওগাঁ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনে শামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ-৩ আসনে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৪ আসনে ডা. শামসুল আলম প্রমাণিক, নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৬ আসনে আলমগীর কবির, রাজশাহী-১ আসনে ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ আসনে মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনে শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনে আবু হেনা, রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনে আবু সাঈদ চাঁদ, নাটোর-১ আসনে কামরুন্নাহার, নাটোর-২ আসনে সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-৩ আসনে দাউদার মাহমুদ, নাটোর-৪ আসনে আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আবদুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস, পাবনা-২ আসনে একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ আসনে কেএম আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৪ আসনে হাবিবুর রহমান হাবিব।

রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়-১ আসনে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান, দিনাজপুর-৪ আসনে আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ আসনে রেজওয়ানুল হক, নীলফামারী-১ আসনে রফিকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আসনে হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকনউদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-৩ আসনে আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর-২ আসনে মোহাম্মদ আলী সরকার, রংপুর-৩ আসনে রিটা রহমান, রংপুর-৪ আসনে এমদাদুল হক, রংপুর-৬ আসনে সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-১ আসনে সাইফুল ইসলাম রানা, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাসবিরুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক কবির আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ফারুক আলম সরকার।

বরিশাল বিভাগ: পটুয়াখালী-১ আসনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৩ আসনে গোলাম মওলা রনি, পটুয়াখালী-৪ আসনে এবিএম মোশাররফ হোসেন, ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইবরাহিম, ভোলা-৩ আসনে মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, ভোলা-৪ আসনে নাজিমউদ্দিন আলম, বরিশাল-১ আসনে জহিরউদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ আসনে সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৩ আসনে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, বরিশাল-৫ আসনে মজিবুর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ আসনে আবুল হোসেন খান, ঝালকাঠি-১ আসনে ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আমিন খান, পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন দুলাল।

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

খালেদার গুলশান কার্যালয়ের ফটকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অনেক বিক্ষুব্ধ সমর্থককেই নিজ নিজ নেতার পক্ষে স্লোগান দিতে দিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের মেইন ফটকের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা গেছে। অনেকে আবার দরজা ধরে ধাক্কাধাক্কিও করেন।

শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেদের জন্য ২০৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আর আগামীকাল শনিবার বিকেলে ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।

‘২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন’

কোন দয়া নয় বরং সুবিচারের মাধ্যমেই ২ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন বলে জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত বুদ্বিজীবী ও রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। ২ জানুয়ারি তারিখে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। তবে, তিনি মুক্ত হবেন ন্যায়বিচারের মাধ্যমে। কারও দয়ায় নয়।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী চালক দল-এর উদ্যোগে ‘নির্বাচন ব্যর্থ ও প্রশ্নবিদ্ধ গণতন্ত্রের কী হবে?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি কোনও দয়া চাই না, মুক্তিও চাই না। তার প্রতি সুবিচার চাই। সুবিচার হলেই তিনি মুক্তি পাবেন।

ঐক্যফ্রন্টের জয় সুনিশ্চিত দাবি করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, এই সরকারের মত্যুঘণ্টা বেজে গেছে। নৌকা ডুবে যাচ্ছে ৩০ তারিখে। এক্ষেত্রে আপনাদের একটি মাত্র কাজ, ভোটকেন্দ্রে আর ভয় নয়। সব ভয় শেষ হয়ে গেছে।

ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ৮টা থেকে না, জনগণ ভোর পাঁচটা থেকে ভোটকেন্দ্রে যাবে। আর আপনাদের দায়িত্ব জনগণকে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে থাকবো না বা থাকছি না- এই অবাঞ্ছিত প্রশ্ন ভুলে যান।

সরকারের উন্নয়নের সমালোচনা করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, এই সরকারের আমলনামায় আছে উন্নয়ন জোয়ার। আর এই উন্নয়ন হলো ইয়াবা উন্নয়ন। বিনা বিচারে হত্যা গুম খুনের উন্নয়ন।

সরকারের সমালোচনা করে এই নেতা আরও বলেন, যতই উন্নয়ন দেখিয়ে নির্বাচনকে কব্জা করার চেষ্টা করুন, আপনাদের সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, এই সরকারের যারা অপকর্ম করেছেন আপনাদের বলতে চাই, খালেদা জিয়ার মতো আপনাদের ভোগানো হবে না। আপনাদের জামিন দিয়ে দেওয়া হবে।

আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন কবির সভাপ‌তি‌ত্বে বিএন‌পি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক, ‌বিএন‌পির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিন ছিলেন।

২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:কোন দয়া নয় বরং সুবিচারের মাধ্যমেই ২ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন বলে জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত বুদ্বিজীবী ও রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। ২ জানুয়ারি তারিখে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। তবে, তিনি মুক্ত হবেন ন্যায়বিচারের মাধ্যমে। কারও দয়ায় নয়।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী চালক দল-এর উদ্যোগে ‘নির্বাচন ব্যর্থ ও প্রশ্নবিদ্ধ গণতন্ত্রের কী হবে?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি কোনও দয়া চাই না, মুক্তিও চাই না। তার প্রতি সুবিচার চাই। সুবিচার হলেই তিনি মুক্তি পাবেন।

ঐক্যফ্রন্টের জয় সুনিশ্চিত দাবি করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, এই সরকারের মত্যুঘণ্টা বেজে গেছে। নৌকা ডুবে যাচ্ছে ৩০ তারিখে। এক্ষেত্রে আপনাদের একটি মাত্র কাজ, ভোটকেন্দ্রে আর ভয় নয়। সব ভয় শেষ হয়ে গেছে।

ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ৮টা থেকে না, জনগণ ভোর পাঁচটা থেকে ভোটকেন্দ্রে যাবে। আর আপনাদের দায়িত্ব জনগণকে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে থাকবো না বা থাকছি না- এই অবাঞ্ছিত প্রশ্ন ভুলে যান।

সরকারের উন্নয়নের সমালোচনা করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, এই সরকারের আমলনামায় আছে উন্নয়ন জোয়ার। আর এই উন্নয়ন হলো ইয়াবা উন্নয়ন। বিনা বিচারে হত্যা গুম খুনের উন্নয়ন।

সরকারের সমালোচনা করে এই নেতা আরও বলেন, যতই উন্নয়ন দেখিয়ে নির্বাচনকে কব্জা করার চেষ্টা করুন, আপনাদের সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, এই সরকারের যারা অপকর্ম করেছেন আপনাদের বলতে চাই, খালেদা জিয়ার মতো আপনাদের ভোগানো হবে না। আপনাদের জামিন দিয়ে দেওয়া হবে।

আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন কবির সভাপ‌তি‌ত্বে বিএন‌পি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক, ‌বিএন‌পির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিন ছিলেন।

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে কুপিয়ে জখম

পলিটিক্স ডেস্ক,দিগন্ত.নেট:শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) নির্বাচনী এলাকার বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুর রহমান কিরণের সমর্থক ও সখিপুরের দক্ষিন তারাবুনিয়ার ৮ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জাকির মালকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পুরো নির্বাচনী এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কুপিয়ে জখম করার পর স্থানীয় লোকজন জাকিরকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

হামলায় আহত জাকিরের ছোট ভাই আল আমিন ও সখিপুর থানা সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও কিরণনগর এলাকার আবুল কাশেম মালের ছেলে জাকির মাল (২৩) কিরণনগর বাজারে ফয়সাল মালের স্বর্ণের দোকানে চাকরি করে।

গতকাল ৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কে বা কাহারা জাকিরের মোবাইলে ফোন করে পার্শ্ববর্তী মাল বাজারে যেতে বলে। জাকির তার ছোট ভাই আল আমিনকে দোকানে রেখে মাল বাজারে যায়। এরপর দুর্বৃত্তরা জাকিরকে মাল বাজারের উত্তর পাশে নদীর পাড়ে নিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে যায়।

আজ শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে জ্ঞান ফিরলে জাকির রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরার চেষ্টা করে। স্থানীয় লোকজন দেখে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার উপর হামলার ঘটনায় শরীয়তপুর-২ নির্বাচনী এলাকার সখিপুর থানায় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত হামলার ঘটনায় সখিপুর থানায় কোনো মামলা হয়নি। খবর পেয়ে সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

আহত জাকিরের চাচা হাবিবুল্লাহ মাল বলেন, আমরা স্থানীয় বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত। গতকাল সন্ধ্যার পর কিরণনগর বাজার থেকে কে বা কাহারা জাকিরকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে যায়। জাকির বর্তমানে চাঁদপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা নুরুদ্দিন দর্জী বলেন, জাকির দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। আমরা ধারণা করছি প্রতিপক্ষের প্রার্থীর লোকজন আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ঘটনার পর বিএনপি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সখিপুর থানার ওসি মোঃ এনামুল হক বলেন, হামলার ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহত জাকিরের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দিগন্ত.নেট:আ/বি/গো