কোথায় ন্যাটো জোট? এরদোগানের প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক

সিরিয়ার আফরিনে কুর্দি গেরিলাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে অস্বীকার করায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সামরিক জোটের নিন্দা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান।

তিনি গতকাল (রোববার) ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, “হে ন্যাটো কোথায় তুমি? কোথায় তুমি এত বেশি যুদ্ধ করছ? তুরস্কও ন্যাটোভুক্ত একটি দেশ। কোথায় তুমি?” তিনি আরো বলেন, “যদি সাহস থাকে তাহলে ন্যাটোর উচিত আফরিনে এসে যুদ্ধ করা।”

এরদোগান বলেন, যদি তারা পারত তাহলে তারা সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক অভিযানের প্রকাশ্য বিরোধিতা করত। কিন্তু তুরস্কের দৃঢ় অবস্থান দেখে তারা তা করতে সাহস পায় নি। তুর্কি প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, সিরিয়ায় তুরস্কের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে- সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াই এবং লক্ষ্য অর্জন শেষে তুরস্ক সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।

২ স্কুল ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ
পাবনার ঈশ্বরদীতে ২ স্কুল ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণের করা হয়েছে। ধর্ষিতা ২ ছাত্রীর বাড়ী ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে। ধর্ষিতা ২ স্কুল ছাত্রী আওতাপাড়া নূরজাহান বালিকা বিদ্যা নিকেতন ও কলেজের সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সোমবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ওই ২ ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। এ সময় ধর্ষিতা ছাত্রীদ্বয় উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, পার্শ্ববর্তী বাঁশেরবাদা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইদিন ব্যাপী শতবর্ষ উৎসব শেষে বাড়ি ফেরার সময় পূর্ব পরিচিত রমজান ও রনি বেড়ানোর কথা বলে তাদের তুলে নিয়ে রাতভর একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

ধর্ষিতারা আরো জানায়, রোববার শতবর্ষ উৎসবের দ্বিতীয় দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখার জন্য তাদের স্কুলের সকল ছাত্রী বাঁশেরবাদা উচ্চ বিদ্যালয়ে যায়। বিকেল ৩টার দিকে বিরতির সময় এই দুই ছাত্রী রমজান ও রনির সাথে অটোতে করে বেড়াতে বের হয়।

অটো বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরে-ফিরে সন্ধ্যার দিকে গড়গড়ি গ্রামের একটি ফাঁকা বাড়িতে ওদের নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সারারাত আটকে রেখে দুই ধর্ষক ওই ছাত্রীদের ধর্ষণ করে। সোমবার ভোরের দিকে এই কথা কাউকে না জানানোর জন্য শাষিয়ে রমজান ও রনি ধর্ষিতাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ সময় তারা অনেক পথ পায়ে হেঁটে সকাল আটটার দিকে বাড়ি পৌঁছায়। পরিবারের লোকজন সারারাত এদের খোঁজ করেও না পেয়ে বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে।

পরিবারের পক্ষ হতে সারারাত কোথায় ছিল জানতে চাইলে ধর্ষিতা ছাত্রীরা পরিবারকে এ ঘটনা জানায়।

পরে উভয় পরিবারের পক্ষ হতে এলাকার সাহাপুর ইউপি’র মেম্বার শামসুল প্রামাণিককে বিষয়টি জানানো হলে মেম্বার ধর্ষিতা ও পরিবারের লোকজনদের নিয়ে অভিযোগ দেয়ার জন্য পুলিশের ঈশ্বরদী সার্কেলের অফিসে নিয়ে যায়। এ সময় মেম্বার শামসুল ও এলাকার লোকজন জানান, ধর্ষকদের বাড়ি গড়গড়ি গ্রামে।

রমজানের বাবার নাম সিরাজুল ইসলাম মনা এবং রনির বাবার নাম মনিরুল ইসলাম। সিরাজুল ইসলাম মনা আওতাপাড়া হাটে ইজারাদারের খাজনা তোলার কাজ করে।

এলাকাবাসীরা জানান, উভয় ধর্ষিতার বাবা অত্যন্ত দরিদ্র। এদের মধ্যে একজনের বাবা মোস্তাক প্রামানিক পেশায় অটো ভ্যানচালক এবং অপরজন আবলু প্রামাণিক পেশায় দিন মজুর।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহুরুল হক জানান, শুনেছি প্রেম ঘটিত কারণে বেড়াতে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানার সাথে সাথে পুলিশী কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.