২০১৮ সালে আকাশে উড়ে বিমান মাটি স্পর্শ করলো ২০১৭ সালে !

জানা ওজানা

অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটে গেছে বছরের শুরুতেই। ২০১৮ সালের প্রথম মুহূর্তে একটি বিমান আকাশে উড্ডয়ন করে তা মাটি স্পর্শ করেছে ২০১৭ সালে। ঘটনাটি জুলভার্নের কল্পকাহিনী ‘এরাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ’-এর মতো। কল্পকাহিনীতে মানুষ বর্তমান থেকে অতীতে ফিরে যায়। কিন্তু সেই ঘটনাটি এবার বাস্তবে পরিণত হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মূল অনুঘটকের কাজ করেছে ভৌগলিক অবস্থান।

এবার নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে হাওয়াইয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আকাশে ওঠে। তখন ২০১৮ সালের প্রথম প্রহর। তাদের উদ্দেশ্য হনুলুলু।

ঠিকই বিমানটি হনুলুলুতে অবতরণ করে। তখন হনুলুলুতে ২০১৮ সাল শুরু হয় নি। ২০১৭ সালের অনেকটা সময় তখনও বাকি। এমন অবস্থায় সেখানে বিমান থেকে যাত্রীরা নেমে দ্বিতীয়বার নতুন বছরকে উদযাপন করছেন।

এমন ঘটনা ঘটেছে হাওয়াইয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এইচএএল৪৪৬ তে। এই ফ্লাইটটি অকল্যান্ড থেকে উড্ডয়নের কথা ছিল ২০১৭ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।

কিন্তু তা ১০ মিনিট বিলম্বিত হয়। এরই মধ্যে বিমানটির যাত্রীরা রাত ১২টায় ২০১৮ সালকে স্বাগত জানান। এরপর স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫ মিনিটে বিমানটি আকাশে ওড়ে। তখন অকল্যান্ডে ২০১৮ সালের ১লা জানুয়ারি।

আকাশে উড়তে উড়তে বিমানটি হনুলুলুতে যখন মাটি স্পর্শ করে অবতরণ করলো তখন সেখানে স্থানীয় সময় ২০১৭ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর সকাল ১০টা ১৬ মিনিট।

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ড ও হাওয়াইয়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ২৩ ঘন্টা। অর্থাৎ হাওয়াইয়ের চেয়ে নিউজিল্যান্ডে সময় ২৩ ঘন্টা বা প্রায় পুরো একটি দিন বেশি।

ফলে ওই ফ্লাইটের যাত্রীরা হনুলুলুতে অবতরণ করে প্রায় পুরো একটি দিন হাতে পান ২০১৭ সালের। আর এ আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন তারা।

পাকিস্তানের পাল্টা ধাক্কা সামাল দেয়ার পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি পাকিস্তানের ওপর চাপ তীব্র থেকে তীব্র করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদেরকে দেয়া সামরিক সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানজুড়ে। দু’দেশের সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক ঝড় চলছে। এ অবস্থায় মনক্ষুন্ন হয়ে পাকিস্তান যাতে কোনো পাল্টা প্রতিশোধ না নেয় সেজন্য দেশটির ক্ষোভ প্রশমিত করার উপায় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এ রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, চতুর্দিক থেকে অবরুদ্ধ আফগানিস্তানে ১৬ বছর ধরে যুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

সেখানে এই যুদ্ধে সামরিক সরবরাহ ও সেনা পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ গেটওয়ে বা প্রবেশপথ হলো পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্র এই পাকিস্তানকে কোটি কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

কিন্তু সেই সহায়তা বন্ধ বা স্থগিত করে দেয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের সরকার যেমন, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, পাকিস্তান কোনো পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।

আফগানিস্তানে তাদের সামরিক সরবরাহ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত বিমানঘাঁটি ও সড়কগুলো বন্ধ করে দিতে পারে পাকিস্তান। তবে পেন্টাগন বলেছেন, এখন পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে এমন কোনো ইঙ্গিত মেলে নি।

সর্বশেষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.