৮ মাসের শিশুকে ধর্ষণ করল দাদা !

জানা ওজানা

নিজ আত্মীয়ের কাছে অঘাত বিশ্বাসে শিশুকন্যাকে রেখে গিয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী। তারা দু’জনেই কাজে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বাস এ ভাবে ভেঙে যাবে, তা বোধহয় কখনো কল্পনাতেও ভাবেননি তারা। কারণ, তুতো দাদার হাতেই ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে তাদের ৮ মাস বয়সের শিশুকে।

ভারতের রাজধানী দিল্লির সুভাষ নগর এলাকার এ ঘটনা ঘটেছে। আপাতত আইসিইউ-তে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে সে। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, সুভাষ নগর এলাকায় শকুরবস্তির বাসিন্দা ওই শিশুটির বাবা দিনমজুর। মা পরিচারিকার কাজ করেন। গত রবিবার কাজে গিয়েছিলেন তারা।

মেয়েকে রেখে গিয়েছিলেন তাদের বাড়ির একতলায়, এক আত্মীয়ের হেফাজতে। শিশুটির বাবা বলেন, ‘কাজে বেরিয়ে ছিলাম। আমার স্ত্রীকেও ঘণ্টা খানেকের জন্য বাইরে বেরোতে হয়েছিল।’

সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এসে তারা দেখেন, যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। তার যৌনাঙ্গ থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শারীরিক পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এর পর সুভাষ নগর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে ওই পরিবার। শিশুটির মা-বাবার অভিযোগ, ওই আত্মীয়ের ২৮ বছরের ছেলেই তাদের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে।

পুলিশের দাবি, জেরায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে ওই যুবক। তারা জানিয়েছে, ঘটনার দিন খেলার নাম করে শিশুটিকে বাড়ির উপরের তলায় নিয়ে যায় অভিযুক্ত।

এর পর সেখানেই তার মুখে কাপড় গুঁজে ধর্ষণ করে সে। ঘটনার পর থেকেই এলাকা থেকে চম্পট দেয় ওই যুবক। সোমবার পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার তিন ঘণ্টা ধরে ওই শিশুটির অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এর পর আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে তাকে। ঘটনার পর সরব হয়েছেন দিল্লির মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল।

ওই শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালেও যান তিনি। শিশুটির জন্য প্রার্থনা করতে বলে টুইট করেন স্বাতী। তিনি আরো লিখেছেন, ‘এই লোকটি মনুষ্যত্বকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। নিজে এক ছেলে-মেয়ের বাবা হয়েও এ কাজ করেছে সে।’ সূত্র: আনন্দবাজার।

কালো বউ দেখে বাড়ি থেকে পালাল ‘বর’

বয়স একটা নিদিষ্ট সময়ে গিয়ে পৌঁছলে সবাই বিয়ে করে এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেকেই আবার আগে ভাগে এই কাজটি শেরে ফেলেন। এ রকম বিয়ে নিয়ে অনেক মজার ঘটনা আছে বিশ্বে যা বলে শেষ করা যাবে না।

কিন্তু সম্প্রতি ভারতে একটি বিয়ের পরে এমন একটা ঘটনা ঘটেছে যা শুনলে সবাই হতভম্ব হয়ে যাবেন।

তা হলো- বিয়ের একদিন পরেই রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হন বর। তাকে দিন রাত অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মিলে না। এমন ঘটনায় বাড়ির লোকজন শেষ পর্যন্ত থানায় ডায়েরি করার সিদ্ধান্ত নিলো। খবর জি নিউজের।

আর তখনই তারা হাতে পেল তাদের ছেলের নিজের হাতের লেখা একটি চিঠি। কি লিখা আছে সেই চিঠিতে? সেটি পড়ে তার বাবা-মা জানতে পারলেন, কেউ তাকে অপহরণ করেনি, কেউ তাকে গুমও করেনি। আসল ঘটনা হলো নতুন বিয়ে করা বউ কালো বলে সে কষ্টে বাড়ি ছেড়েছে।

জানা গেছে, দুই পরিবারের পছন্দে বিয়ে হলেও বিয়ের দিন অতি মেকআপ থাকায় তিনি নাকি বুঝতে পারেননি বউ ‘ফর্সা’ নয়।

বিয়ে করে বাড়ি নিয়ে আসার পর যখন তার বউ মেকআপ তুলে ফেলে তখন তিনি ঘটনাটি বুঝতে পেরে তাকে মেনে নিতে পারছেন না। চিরকুটে শুম্ভনাথ নামের ওই যুবক জানিয়ে দেন, তিনি আর কোনোদিন বাড়িতে ফিরবেন না!

সম্প্রতি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের সুতাহাটায়। তবে ওই যুবকের পরিবারের আশা তিনি খুব শিগগিরই নিজের তার ভুল বুঝতে পেরে বাড়ি ফিরে আসবেন। আর বউয়ের গায়ের রঙের চেয়ে তার মনের রঙকে গুরুত্ব দিতে শিখবেন ও সুখে শান্তিতে সংসার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *