বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান !

তুরস্কের সংবাদ

বাংলাদেশে একটি তুর্কি হাসপাতালে জন্ম নেয়া এক রোহিঙ্গা ‍শিশুর নাম রাখা হয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের নামে। শুক্রবার শিশুটির জন্ম হয়।

ঢাকায় তুর্কি দূতাবাসের টুইটার পেজ থেকে শিশুটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘কক্সবাজারে তুর্কি ফিল্ড হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেয়া প্রথম শিশু রিসেপ তাইয়েপ তুর্কি মেডিক্যাল স্টাফদের কোল থেকে আজ পৃথিবীকে স্বাগত জানালো।’

তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কক্সবাজারে এই হাসপাতালটি স্থাপন করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এতে রোগী ভর্তি শুরু হয়।

হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক জামালউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, ‘এই অঞ্চলের রোহিঙ্গারা রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে অনেক বড় সম্মানের চোখে। এই কারণেই তারা ওই শিশুটির নাম তার নামে রেখেছে।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির মা সুস্থ আছে। তুরস্কের ওই হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১০ হাজার রোগীকে সেবা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। গত বছর সম্প্রদায়টির ওপর দমন-পীড়ন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে কমপক্ষে সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা।

রোহিঙ্গাদের ওপর এই নির্যাতনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ‘গণহত্যা’ ও ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আখ্যায়িত দিয়ে আসছে।

ব্রেকিংনিউজ/ আরএস

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আর নয়: পাকিস্তান

পাকিস্তান আর কোনো যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ছায়া’ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা আসিফ নওয়াজ। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক এক বক্তব্যে শুক্রবার তিনি একথা বলেন।

দেশটির অপর এক মন্ত্রী সংসদকে জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে আফগান শরণার্থীদের ফিরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করছে তার দেশ।

পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানের জনগণ ও মুসলিম দেশগুলোর মানুষ চায় সীমান্তবর্তী যুদ্ধে পাকিস্তান অংশ নিক। তবে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আর ছায়াযুদ্ধ করবে না বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলামের-এফ’র প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি আরো জানতে চান, সিরিয়া যুদ্ধ ইস্যুতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটির বিতর্কে পাকিস্তান কেন যুদ্ধের বিপক্ষে ভোট দেয়নি। ফজলুর রহমান বলেন, আট মুসলিম দেশের মধ্যে পাকিস্তানসহ তিনটি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল।

জবাবে আসিফ বলেন, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংহতির অভাবই আমদের সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ। তার ভাষায়, ‘কেউই মুসলিমদের ক্ষতি করতে পারতো না, যদি তারা শত্রু পক্ষকে সুবিধা না দিতো।’

অতীতে পাকিস্তানের শাসকরা দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ‘ভুয়া জিহাদ’ করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একে দেশটির ‘সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি’ বলেও আখ্যায়িত করেন আসিফ।

সৌদি আরবে পাকিস্তান শুধু প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্দেশ্যে সেনা পাঠিয়েছে, ইয়েমেনে যুদ্ধ করতে নয় উল্লেখ করে খাজা আসিফ জানান, নানা চার ও প্রলোভন থাকলেও কোনো মুসলিম দেশে আর যুদ্ধ করবে না পাকিস্তান।

ব্রেকিংনিউজ/ আরএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.