ভয়ে চাকরি ছাড়ছেন ফেসবুক কর্মীরা!

চাকরি ছাড়তে চাইছেন অনেক ফেইসবুক কর্মী। যারা নতুন চাকরির জন্য ইতোমধ্যে খোঁজ খবরও শুরু করেছেন।

কর্মীরা এখন ফেইসবুকের চেয়ে আরও ভালো সুযোগ খুঁজছেন। কারণ সম্প্রতি ডেটা কেলেঙ্কারিসহ বেশ কিছু বিষয়ে কর্মীরা নাকি আর মাধ্যমটির ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না।

সংবাদ মাধ্যম সিএনবিসি বলছে, সম্প্রতি অসংখ্য গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং শেয়ারের মূল্য পড়ে যাওয়ায় কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের ভয় কাজ করছে।

সোমবার মাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেইসবুকে অনেক কর্মী এখন তাদের সাবেক সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাদেরকে বলছেন নতুন একটি চাকরি খুঁজে দিতে।

সিএনবিসি বলছে, ফেইসবুকের অন্তত ছয় সাবেক কর্মী এটা নিশ্চিত করেছে যে, তাদেরকে বর্তমান কর্মীরা ভালো একটি চাকরির জন্য ফোন করেছেন। এই ফোন কলের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

যদিও চাকরি ছাড়া একটা সাধারণ বিষয়। কিন্তু এমন অবস্থায় নতুন চাকরির খোঁজ করা আসলেই আতঙ্কের বিষয় বলে ওই প্রতিবেদন বলছে।

তবে প্রতিষ্ঠানটি বিষয়গুলো কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে এবং সামনে বছরে একটি ভালো অবস্থায় আবার পৌঁছে যাবে বলে বলছে ফেইসবুকে এক সাবেক কর্মকর্তা। তিনি মনে করেন, ফেইসবুকের ভিতরে কর্মীদের অসন্তোষ হবার কোন কারণই তিনি দেখেন না।

গত মাসে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি রিপোর্ট দিয়েছে, যেখানে ফেইসবুকের অভ্যন্তরীণ একটি জরিপ চালানোর কথা বলা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাদের অন্তত ৫২ শতাংশ মনে করে ফেইসবুক সামনের দিনগুলোতে কিছুটা হলেও আগের চেয়ে ডাউন হবে। যা আগের বছর ছিল মাত্র ৩২ শতাংশ।

অন্যদিকে মাত্র ৫৩ শতাংশ কর্মী মনে করেন সামনের দিনে বিশ্বে ফেইসবুক খুব ভালো করবে। যা গত বছরের চেয়ে ১৯ শতাংশ কম।

আসলেই ফেইসবুক এখন খুব কঠিন সময় পার করছে। ডেটা কেলেঙ্কারি তো আছেই। তারওপর কদিন আগে জাকারবার্গকে সরে যাবার জন্য বিনিয়োগকারীদের চাপ, সবমিলে অনেকটাই টালমাটাল অবস্থা জাকারবার্গের।

ফেইসবুকের এক মুখপাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, এটা আমাদের জন্য একটু কঠিন সময়। প্রতিটি মানুষই অতীত থেকে শিক্ষা নেয়। আমরাও তেমনটা করছি। আশা করছি আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।সূত্র:দ্য ট্রিবিউন

প্রেমিককে খুন করে কুচি কুচি করে কেটে রান্না করলো প্রেমিকা!

প্রেম নাকি মানুষকে অন্ধ করে দেয়। তাই বলে কী এতোটাই অন্ধ করে দিবে যে প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে প্রেমিককে কেটে কুচি কুচি করে রান্না করবে প্রেমিকা? শুনতে অবাক লাগলেও এমনটিই ঘটেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

একটি আরবীয় দৈনিকের খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-আইন প্রদেশের ৩০ বছর বয়সী বাসিন্দা ওই নারী পুলিশ আদালতের কাছে নিজের দোষ স্বীকার করেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, কয়েক মাস আগে নিজের চেয়ে বয়সে ছোট এক যুবককে সে প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে খুন করে। প্রতিশোধ নিতেই সে তার প্রেমিককে খুন করে দেহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুচি কুচি করে কাটে।

তারপর সেই সেই মাংস দিয়ে মরক্কোর একটি পদ বানিয়ে স্থানীয় একটি নির্মীয়মাণ বহুতলের শ্রমিকদের খাওয়ায়। সেই নির্মাণ শ্রমিকরাও মহানন্দে তৃপ্তি করে সেই মাংস খায়। ঘুণাক্ষরেও তারা বুঝতে পারেননি, তারা কী খাচ্ছেন।

এদিকে, ঘটনার কথা জানাজানি হয় কয়েক মাস পর যখন মৃত যুবকের ভাই ওই নারীর বাড়িতে আসে। ভাইয়ের খোঁজ করতে যখন নিহতের ভাই ওই নারীর কাছে আসেন, তখন এই নারী জানান অনেকদিন আগেই তাদের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছে।

ঘাতক নারীর পরিকল্পনা ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু সব ছকে পানি ঢেলে দেয় তার রান্নাঘরের মিক্সার-গ্রাইন্ডার। নিহত যুবকের ভাই গ্রাইন্ডারের মধ্যে একটি দাঁত লক্ষ্য করেন। সেই থেকেই তার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। পুলিশে খবর দিতেই সত্য সামনে আসে। নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেয় ওই নারী।